ওয়াশিংটনে ব্রিটিশ রাজা, নজরে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য সম্পর্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে এক অনুষ্ঠানে গুলির ঘটনার দুই দিন পর সোমবার চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানী ক্যামিলা।
বাকিংহাম প্যালেস জানিয়েছে, সফর নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই হবে। ট্রাম্প, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প ও অন্য অতিথিরা অক্ষত থাকায় রাজা ‘অত্যন্ত স্বস্তি’ প্রকাশ করেছেন। ওই ঘটনায় প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা দলের একজন সদস্য আহত হন।
ট্রাম্প বলেছেন, ‘চার্লস খুবই নিরাপদে থাকবেন। হোয়াইট হাউজের প্রাঙ্গণ সত্যিই নিরাপদ।’
যুক্তরাজ্য সরকার ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের উদ্যোগে আয়োজিত এই সফরের লক্ষ্য দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে সামনে আনা। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি সামনে রেখে এই সফর হচ্ছে। ১৯৯১ সালে রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের পর চার্লসই প্রথম ব্রিটিশ সম্রাট, যিনি ভাষণ দেবেন মার্কিন কংগ্রেসে।
ওয়াশিংটনে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান টার্নার জানান, এই সফরের লক্ষ্য ‘এক অনন্য বন্ধুত্বকে নতুন করে জাগিয়ে তোলা ও প্রাণবন্ত করা’।
তবে সফরটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য সম্পর্কে টানাপড়েনের সময়ে। ইরান যুদ্ধকে সমর্থন না করায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। রবিবার স্টারমার ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপ হয়। ডাউনিং স্ট্রিট জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল দ্রুত স্বাভাবিক করার ‘জরুরি প্রয়োজন’ নিয়ে আলোচনা করেছেন তারা।
সমালোচনার মধ্যেও সফরের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন স্টারমার। তিনি এমপিদের বলেছেন, উত্তেজনার সময়েও রাজতন্ত্র ‘দশকের পর দশক ধরে গড়ে ওঠা সম্পর্ক’ ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। ট্রাম্পও বলেছেন, সম্পর্ক মেরামতে ‘অবশ্যই’ সহায়ক হতে পারে এই সফর।



