আগামীর সময়

ঝিনাইদহে বৃহৎ হাস খামারের উৎপাদন হ্রাসে খামারি উদ্বিগ্ন

ঝিনাইদহে বৃহৎ হাস খামারের উৎপাদন হ্রাসে খামারি উদ্বিগ্ন

ছবিঃ আগামীর সময়

ঝিনাইদহের তেতুল তলা এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের বাণিজ্যিক হাস খামারে ডিম মাংসের উৎপাদন অর্ধেকে নেমে এসেছে। প্রায় সাড়ে হাজার হাসের খামারে তিনি প্রতি মাসে ১৫ লাখ টাকার ডিম মাংস বিক্রি করতেন। মোস্তাফিজুর রহমান অভিযোগ করেছেন, প্রাণী সম্পদ দপ্তরের যথাযথ সহযোগিতা প্রশিক্ষণ না থাকায় এবং হাস অসুস্থ হলে চিকিৎসা ঔষধের সঠিক পরামর্শ না পাওয়ার কারণে উৎপাদন কমে গেছে।

মোস্তাফিজুর রহমান ঝিনাইদহ সদর উপজেলার কাঞ্চনপুর গ্রামের বাসিন্দা। সরকারি সৈনিকের চাকরি শেষ করে পাঁচ বছর আগে তেতুল তলার বিলের মধ্যে ১০ একর জমি লিজ নিয়ে ৫শত হাস দিয়ে খামার শুরু করেন। বর্তমানে খামারে জন কর্মচারীর মাধ্যমে ডিম মাংস বিক্রি করে খামারের খরচ মেটান এবং অবশিষ্ট লাভে হাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করছেন।

খামারে দায়িত্বে থাকা রাব্বুল হোসেন জানিয়েছেন, বর্তমানে দৈনিক উৎপাদিত ডিমের সংখ্যা প্রায় হাজার, যা আগে ছিল দ্বিগুণ। তারা ডিম ভোরে সাজিয়ে ঝিনাইদহসহ যশোর মাগুরাসহ অন্যান্য জেলায় পাঠাচ্ছেন।

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার এ.এস.এম. আতিকুজ্জামান জানিয়েছেন, লোক জনবলের অভাবে খামারে সরাসরি পরামর্শ দেওয়া সম্ভব নয়। তবে উপজেলা বা জেলা অফিসে গেলে খামারীদের সহযোগিতা করা হয়। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, মোস্তাফিজুর রহমান সঠিক পরামর্শ পেলে পুনরায় লাভের মুখ দেখতে পারবেন।

    শেয়ার করুন: