মানিকগঞ্জে দুই সাবেক এমপিসহ জামানত হারালেন ১৩ প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনে সাবেক দুই সদস্যসহ ১৩ প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। সাবেক সংসদ সদস্য প্রার্থীরা হচ্ছেন মানিকগঞ্জ ৩ আসনের গনফোরমের একাংশের সভাপতি মফিজুল ইসলাম কামাল ও মানিকগঞ্জ ১ আসনের জাতীয় পার্টির এস এম আব্দুল আব্দুল মান্নান। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
ভোটের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, তিন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৩ জনই জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট বৈধ ভোটের এক-অষ্টমাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম ভোট পেলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর জামানত বাতিল হয়।
মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-দৌলতপুর–শিবালয়) আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। চূড়ান্ত ফলাফলে চারজনের জামানত বাতিল হয়। এরা হলেন— স্বতন্ত্র প্রার্থী আবদুল আলী, খোরশেদ আলম (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মোহাম্মদ ইলিয়াছ হুসাইন (গণঅধিকার পরিষদ) এবং মোহাম্মদ শাহজাহান খান (জনতার দল) জামানত হারিয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-২ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বিজয়ী ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া বাকি দুইজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন জাতীয় পার্টি মনোনীত সাবেক এমপি এস এম আবদুল মান্নান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ আলী।
মানিকগঞ্জ-৩ নয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সাতজনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। তারা হলেন— বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আতা (ফুটবল), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের শাহজাহান আলী সাজু (মোটরগাড়ি), জাতীয় পার্টির আবুল বাশার বাদশা (লাঙল), গণফোরামের একাংশের সভাপতি স্বতন্ত্র প্রার্থী মফিজুল ইসলাম খান কামাল (সূর্যমুখী ফুল), বাইসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মোয়াজ্জেম হোসেন খান, মোটরসাইকেল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম খান এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী শামছুদ্দীন।

