ডাকসু নেতা মুসাদ্দিক
‘ওপর মহলের নির্দেশে’ মামলা নিচ্ছে না পুলিশ

ছবি: আগামীর সময়
‘শাহবাগ থানার ভেতরে হামলার ঘটনা ঘটলেও ওপর মহলের নির্দেশে এখনো মামলা গ্রহণ করছে না পুলিশ’ অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ।
আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ডাকসুর এই নেতা।
এদিকে মামলা গ্রহণ না করায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছেন ডাকসু নেতারা।
শাহবাগ থানার ভেতরেই তাদের ওপর হামলা হয়েছে এবং এ-সংক্রান্ত সব তথ্যপ্রমাণ, এমনকি সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের কাছে রয়েছে। তারপরও মামলা না নেওয়ায় ক্ষোভ ঝাড়লেন মোসাদ্দিক। প্রশ্ন তুললেন— ‘কোন দেশে আমরা বাস করছি, যেখানে ওপর মহলের নির্দেশ ছাড়া মামলা নেওয়া হয় না?’
‘পুলিশকে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং প্রশাসনের নীরবতায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ছে’— অভিযোগ মুসাদ্দিকের।
মুসাদ্দিকের সুরে ক্ষোভ ঝাড়লেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য বেলাল হোসাইন অপুও। বললেন, ‘এক শিক্ষার্থী গুজবজনিত হুমকির ঘটনায় মামলা করতে শাহবাগ থানায় গেলে তাকে সহযোগিতা করতে গিয়ে ডাকসুর প্রতিনিধিরা হামলার শিকার হন। স্পষ্ট প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও এখনো মামলা না নেওয়ায় জনগণের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন।’
‘পরিকল্পিতভাবে থানায় দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সরিয়ে দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে’— অভিযোগ ভুক্তভোগী ও সূর্যসেন হলের কার্যনির্বাহী সদস্য সাইয়েদুজ্জামান আলভীর। এ ঘটনায় সরকার ও প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানালেন ডাকসু নেতারা।
মামলা না নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে জানতে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানকে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
গত ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ডাকসুর দুই সম্পাদকের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। হামলার শিকার দুই নেতা হলেন ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং সমাজকল্যাণ সম্পাদক এ বি জুবায়ের।





