বিরোধীদলীয় নেতা
আবারও ভয়ের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনলে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব

সংগৃহীত ছবি
দেশে কেউ আবারও ভয়ের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাইলে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শনিবার (২১ মার্চ) বিকালে রাজধানীর মিন্টো রোডে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন জামায়াত আমির।
বাংলাদেশে ভয়ের সংস্কৃতি আবারও ফিরে আসুক এটা কেউ চায় না, আমরাও চাই না। কেউ যদি সেই সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চান, তিনি যেই হোন না কেন, আমরা ইনশাআল্লাহ সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াব। আর ভয়ের সংস্কৃতি বাংলাদেশে আনতে দেব না। আজকের মহান দিনে আল্লাহ তাআলা আমাদের বৈষম্যমুক্ত, সৌহার্দ্যের, মানবিক ও ইনসাফভিক্তিক বাংলাদেশ গড়ার জন্য আরেকবার অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার তৌফিক দান করুক— বলছিলেন ডা. শফিকুর রহমান।
বিভিন্ন কারণে এবার মানুষের ঈদযাত্রায় অনেক বেশি দুর্ভোগ হয়েছে। আশা করি, ভবিষ্যতে আর এমন দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও বিশৃঙ্খলা হবে না— এমন আশা বিরোধীদলীয় নেতার।
কুরআন এবং রমজানের শিক্ষা নিয়ে সবাই মিলে আমরা বাংলাদেশকে গড়ব, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর ভয়ের ভিত্তির ওপর যাতে একটা সমাজ আমরা দাঁড় করাতে পারি। তখন কোনো মানুষ অন্য কোনো মানুষকে ভয় করবে না। মানুষ মানুষকে ভালোবাসবে, সম্মান করবে— যোগ করেন জামায়াত আমির।
বিশ্বে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলছিলেন, খুশি হতাম যদি বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধের দাবানল না জ্বলত। অনেক দেশ আমাদের বন্ধু এবং ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ, তারা ক্ষতবিক্ষত। আমরা যখন ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করছি, তখন তারা তাদের জীবন-সম্মান ও সম্পদ-অস্তিত্ব নিয়ে শঙ্কিত। যুদ্ধ কোনো সমাধান নয়। আমরা আল্লাহর কাছে দোয়া করি, এই যুদ্ধে যারা ন্যায়ের পক্ষে আছে আল্লাহ যেন তাদের সহায়তা করেন এবং বিজয়ী করেন।
কূটনীতিকদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের কথা উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেছেন, সকালে বিদেশি কূটনীতিকবৃন্দের সঙ্গে মিলিত হয়েছি। তাদের মাধ্যমে বিশ্বে একটি বার্তা দিতে চেয়েছি যে, একটি সৌহার্দ্যের, ভ্রাতৃত্বের এবং বন্ধুত্বপূর্ণ বিশ্ব চাই। যে বিশ্বে হিংসা-হানাহানি থাকবে না, যুদ্ধ-বিগ্রহ, ভয় আর মানুষের জীবন নিয়ে কেউ খেলায় মেতে উঠবে না, আগুনের গোলা আর উড়বে না, আমরা তেমন একটি দেখতে চাই বিশ্ব।

