লজ্জার হারে আবাহনীর বিদায়, শেষ চারে রহমতগঞ্জ

সংগৃহীত ছবি
কুমিল্লায় খেলা হওয়া নিয়ে ছিল সংশয়। ম্যাচের পৌনে এক ঘণ্টা আগেই ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামের মাঠ ডুবেছিল হাঁটুজলে। সেই জল সরিয়ে খেলা মাঠে গড়াল। ফকিরেরপুল রহমতগঞ্জকে রুখে দিল গোলশূন্য ড্রয়ে। রহমতগঞ্জের জিততে না পারার সুযোগটা কাজে লাগাতে পারেনি আবাহনী। কিংস অ্যারেনায় তারা অঘটনের শিকার হয়েছে পিডব্লিউডির কাছে। ১-০ লজ্জার হারে গ্রুপপর্ব থেকেই বিদায় নিতে হলো ফেডারেশন কাপের সবচেয়ে সফল দল আবাহনীকে।
‘এ’ গ্রুপ থেকে আগেই কোয়ালিফায়ার্স নিশ্চিত করেছিল ব্রাদার্স। মঙ্গলবার দুই ম্যাচে খেলা চার দলের তিনটিরই সুযোগ ছিল ব্রাদার্সের সঙ্গী হওয়ার। ফকিরেরপুলকে হারাতে না পারলেও ড্র থেকে পাওয়া এক পয়েন্ট আর গোল গড় রহমতগঞ্জকে জায়গা করে দিয়েছে এলিমিনেটরে। যেখানে তাদের জন্য আগে থেকেই অপেক্ষায় আছে ‘বি’ গ্রুপের রানার্সআপ মোহামেডান।
দুর্ভাগ্য পিডব্লিউডির। মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর দ্বিতীয়ার্ধের গোলে আবাহনীকে হারিয়ে তারাও রহমতগঞ্জের সমান ছয় পয়েন্ট পেয়েছিল। তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থেকে তাদের তিনে শেষ করতে হয়েছে। লিগে টানা ছয় ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলতে নামা আবাহনী আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রতিপক্ষের গোলমুখ খুঁজে পায়নি। উল্টো ৬৬ মিনিটে আব্দুল্লাহ ধারার বিপরীতে গোল করে পিডব্লিউডিকে জয় এনে দেন।
১২ বারের ফেডারেশন কাপজয়ী আবাহনীর জন্য এবারের আসরটি ছিল দুঃস্বপ্নের মতো। ফকিরেরপুলকে ৪-২ গোলে হারিয়ে শুরুর পর তারা হার মানে ব্রাদার্সের কাছে। ১-০ ব্যবধানে হারের ক্ষত শুকানোর আগেই রহমতগঞ্জের সঙ্গে ১-১ ড্র তাদের সম্ভাবনা ধূসর করে দেয়। শেষ ম্যাচ ডে’তে যাওয়ার একটা সুযোগ ছিল, সেটা তারা নষ্ট করেছে লজ্জার হারে।
প্রথম কোয়ালিফায়ার্স: বসুন্ধরা কিংস বনাম ব্রাদার্স ইউনিয়ন
এলিমিনেটর: মোহামেডান বনাম রহমতগঞ্জ




