আগামীর সময়

স্বাধীনতার চেতনায় ফুটবলের উৎসবে প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতার চেতনায় ফুটবলের উৎসবে প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

মহান স্বাধীনতা দিবসে সাবেক ফুটবলারদের মিলনমেলা বসেছে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে। ‘স্বাধীনতার চেতনায় ফুটবলের উৎসব’ শিরোনামের প্রীতি ম্যাচে নিজেদের মধ্যে লাল ও সবুজ দলে ভাগ হয়ে খেলছেন সাবেক জাতীয় ফুটবলাররা।

এই বিশেষ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ দেখতে জাতীয় স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেল ৪টায় স্টেডিয়ামে আসেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর কন্যা ব্যারিস্টার জায়মা রহমান।

স্বাধীনতা দিবসের আনন্দ সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে এবং ফুটবলের সোনালি অতীতকে স্মরণ করতেই এই প্রীতি ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। সেই আয়োজনে সামিল হয়ে দুই দলের ফুটবলারদের সঙ্গে করমর্দন করেন প্রধানমন্ত্রী। দুই দলের সঙ্গে আলাদা করে ছবিও তোলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্টেডিয়ামে স্বাগত জানান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। গ্যালারিতে দর্শকারও করতালি দিয়ে অভিবাদন জানান।

ভিভিআইপি গ্যালারি থেকে নয়, ডাগ আউট টেন্টে বসে পুরো ম্যাচ দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। খেলা শেষে দুই দলের খেলোয়াড়দের পদকও পরিয়ে দিয়েছেন তিনি।


স্বাধীনতা দিবসে এমন আয়োজনের জন্য প্রধানমন্ত্রী আয়োজক বাফুফেকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘প্রথমেই আমি আজকের এই স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে যে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে, আয়োজকবৃন্দকে, উপস্থিত বরেণ্য খেলোয়াড়সহ সাংবাদিক ভাইয়েরাসহ গ্যালারিতে যেসব সকল দর্শক উপস্থিত আছেন, আসসালামু আলাইকুম। প্রথমেই আমি সকলকে আজকের এই স্বাধীনতা দিবসের আন্তরিক অভিনন্দন এবং শুভেচ্ছা জানাই।’

প্রধানমন্ত্রী ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে বলেন, ‘আমাদের সরকারের পক্ষ থেকে এবং কিছুদিন আগে বাংলাদেশে যে প্রত্যাশিত নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে সে নির্বাচনের সময় আমাদের দলীয় ইশতেহার থেকে আমরা বলেছি যে আমরা বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতে নতুন প্লেয়ার তৈরি করতে চাই বিভিন্ন খেলায় এবং ক্রীড়াকে প্রফেশনাল রূপ আমরা দিতে চাই। সেজন্যই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা নতুন কুঁড়ি নামে যে অনুষ্ঠানটি ছিল, এখানে আমরা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসকেও আমরা চালু করতে চাই। শুধু নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসই আমরা চালু করতে চাই না, আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলা, প্রত্যেকটি উপজেলা, প্রত্যেকটি ইউনিয়নে স্কুলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যে আমরা খেলার কম্পিটিশন শুরু করতে চাই।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক খেলছেন লাল দলের হয়ে। অবশ্য গোলবারের নিচে নয় মাঝমাঠে খেলেছেন তিনি। লাল দলে আরও খেলছেন আলফাজ আহমেদ, রুম্মন বিন ওয়ালী সাব্বির, কায়সার হামিদ, গোলাম গাউসরা। সবুজ দলের হয়ে খেলছেন এনামুল, ওয়ালী ফয়সাল, ছাইদ হাসান কানন ও গোলাম রব্বানী ছোটনরা।

    শেয়ার করুন: