আগামীর সময়

‘ইরান যুদ্ধে বাড়তি মুনাফা পাবে তেল কোম্পানি’

‘ইরান যুদ্ধে বাড়তি মুনাফা পাবে তেল কোম্পানি’

প্রতীকী ছবি

ইরানের রাজধানী তেহরানে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ব্যাপক যৌথভাবে বোমবর্ষণ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এই হামলার মূল লক্ষ্য ইরানের নেতৃত্ব, পারমাণবিক স্থাপনা এবং ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ধ্বংস করা। হামলায় ইতিমধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।

এসব হামলার ‘কঠিন’ জবাব দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে আসছে ইরান। ইতিমধ্যে দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের অনেক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এছাড়া, ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবসহ দেশটির বেশ কয়েকটি শহরেও হামলা চালিয়েছে ইরান। আজ সোমবার ১৭তম দিন অতিবাহিত হচ্ছে এই যুদ্ধের। এই যুদ্ধের প্রভাব মধ্যেপ্রাচ্যে ছড়িয়ে পড়ায় জ্বালানিতেও বড় অস্থিরতার বিরাজ করছে বিশ্বজুড়ে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে শোধনাগারগুলোর জন্য অপরিশোধিত তেলের দাম অনেক বেশি হয়ে যাবে ভবিষ্যদ্বানী করেছেন ওয়াশিংটন ডিসির ন্যাশনাল সেন্টার ফর এনার্জি অ্যানালিটিক্স–এর ভিজিটিং ফেলো নীল অ্যাটকিনসন।

আজ সোমবার (১৬ মার্চ) আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে এ কথা জানান অ্যাটকিনসন।

বর্তমান উত্তেজনার মধ্যে সমন্বিত তেল কোম্পানি ও তাদের সঙ্গে যুক্ত উৎপাদকরা বেশি অর্থ উপার্জন করতে পারে। বাজারে যেকোনো মূল্যবৃদ্ধি শেষ পর্যন্ত পুরো সরবরাহ শৃঙ্খলে (ভ্যালু চেইন) ছড়িয়ে পড়বে, ফলে বিক্রি হওয়া তেলজাত পণ্য থেকেও তারা লাভ করবে—উল্লেখ করেন অ্যাটকিনসন।

মার্কিন এই গবেষক মনে করেন— ‘হ্যাঁ, তেল কোম্পানিগুলো অতিরিক্ত মুনাফা করবে। উৎপাদকরাও স্বল্পমেয়াদে অতিরিক্ত মুনাফা করবে—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এটি তাদের খুচরা গ্রাহকদের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর, এবং এটি মোটেও ভালো কিছু নয়।’

    শেয়ার করুন: