রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে ‘তোমার সংগে প্রাণের খেলা’

ছবি: আগামীর সময়
প্রেম, ভালোবাসা, বিরহ, বেদনার-গানে গানে কবিগুরু রীবন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তী উদ্যাপন করলো অভ্যুদয় সঙ্গীত অঙ্গন। দিবসটি উপলক্ষে আজ শুক্রবার সকালে দেওয়ানজি পুকুর পাড়ের মুক্তমঞ্চে অনুষ্ঠিত হলো ‘আহা তোমার সংগে প্রাণের খেলা’ শীর্ষক গীতি আলেখ্য।
কবিগুরুর একগুচ্ছ গান নিয়ে ‘কবি প্রণাম’ নামে এই সংগীতায়োজনটি ছিল মনকাড়া। গান ও কথামালায় সাজানো আলেখ্যটি মন ছুঁয়েছে রবীন্দ্রপ্রেমীদের। কখনও একক, কখনো দ্বৈত আবার সমবেত কণ্ঠে রবীন্দ্রনাথের পূজা, প্রেম এবং প্রকৃতি পর্যায়ের গান পরিবেশন করেন শিল্পীরা। সংগীত পরিচালনা করেন রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী শ্রেয়সী রায়।
সংগঠনের শিশুসহ নানা বয়সী শিল্পী এতে অংশ নেন। শুরুতে সাদা পোশাকে সজ্জ্বিত একঝাঁক শিশু জন্মজয়ন্তীর দুয়ার খুলে দিল। সমবেত কণ্ঠে শিশুদের ‘মাটি তোদের ডাক দিয়েছে’ গানটি হৃদয় ছোঁয়া ছিল। শিশুশিল্পীদের কণ্ঠে আরও শোভা পায়, ‘হে সখা মম হৃদয়ে রহো’- পূজা পর্যায়ের গানটি।
এর পর ‘তোমায় গান শোনাব ওগো দুঃখ জাগানিয়া ‘ সমস্বরে গানটির মধ্য দিয়ে বড়দের পরিবেশনা শুরু হয়। প্রেম পর্যায়ের গানটি ১৯২৩ সালে রচনা করেন কবিগুরু। গানটিতে প্রেম বিরহের অপূর্ব এক আবেশ।
পরে ঊর্বসীর কণ্ঠে ‘দিবস রজনী আমি যেন কার আশায় আশায় থাকি’ বা শর্মিলা ব্যনার্জির ‘অলি বার বার ফিরে যায়’ কিংবা প্রিয়ন্তীর ‘ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে’ গানের মধ্য দিয়ে বৈশাখী সকালে প্রেমের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে।
এ ছাড়া পান্না দাশ গেয়েছেন ‘ফিরে যাও কেন’ গানটি। ‘যা ছিল কালো ধলো তোমার রঙে রাঙা হলো’ গানে বিদায়ী বসন্তকে মনে করিয়ে দিলেন ঝুলন। কামনাশীষের ‘আরো আরো প্রভু,’ এলড্রিনের কণ্ঠে ‘আমার জীবন পাত্র ‘ আর ডালিয়া বড়ুয়ার ‘এ পথ গেছে’ গানগুলোতে করতালি পড়েছে। শ্রেয়সী রায়ের ‘দেখো সখা’ এবং আদৃতা রুদ্রের ‘আহা তোমার সংগে প্রানের খেলা’ গান দুটিতে মুগ্ধতা ছড়ায়।
রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে সন্ধ্যায় জেলা শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে মিলনায়তনে ও রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সংস্থা থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে পৃথক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।



