আগামীর সময়

আ. লীগ নেতাকে মারধরের পরদিন যুবদল নেতা বহিষ্কার

আ. লীগ নেতাকে মারধরের পরদিন যুবদল নেতা বহিষ্কার

সংগৃহীত ছবি

নাটোরের সিংড়ায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে যুবদল নেতা শামিম হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। নির্বাচনের পর তিনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকে মারধর করে আলোচিত হন।


শামিম ছিলেন উপজেলার ছাতারদিঘী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রোববার তাকে বহিষ্কার করা হয়। তাতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় নীতি–পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুবদল।


উপজেলার কালিগঞ্জ বাজার এলাকায় গত শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগ নেতা আলতাব হোসেনকে মারধর করেন তিনি। আলতাব ১১ নম্বর ছাতারদিঘী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি।


মারধরের বিষয়ে জানতে চাইলে শামীম সাংবাদিকদের বলেন, ‘২০১৭ সালে ছাতারদীঘি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপনির্বাচনে আলতাব হোসেন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে আমাকে মারধর করেছিল। ওই নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করায় আমি মার খেয়েছি। তাই চড়-থাপ্পড়ের বদলে শুধু চড়-থাপ্পড় দেয়া হয়েছে।’


ঘটনার পরদিনই আসে তার বহিষ্কারাদেশ। তাতে বলা হয়, বহিষ্কৃত নেতা ভবিষ্যতে কোনো ধরনের অপকর্মে জড়িত হলে তার দায়দায়িত্ব দল নেবে না।


দলের সিদ্ধান্ত জানার পর শামিম বলেন, ‘ঘটনার দিন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল আকস্মিকভাবে। আমি দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার কোনো ইচ্ছাকৃত কাজ করিনি। বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করছি। আমি দীর্ঘদিন ধরে দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত এবং দলের আদর্শের প্রতিই আস্থাশীল।’


একই বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে আরও দুই নেতাকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত জানায় যুবদল। তারা হলেন, বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক ও সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম।


তাদের বিরুদ্ধে গত শুক্রবার উপজেলার বাইশারী ইউনিয়নের বিভাস ঋষি নামে এক আয়ুর্বেদিক চিকিৎসককে চাঁদার দাবিতে মারধরের অভিযোগ ওঠে।


বহিষ্কারাদেশে এই তিন নেতার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে যুবদলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দেয়া হয়। একইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বানও জানান হয়।

    শেয়ার করুন: