‛ক্ষোভ থেকে’ দাদি-নাতনি হত্যা, কিশোরীর চাচা গ্রেপ্তার

সংগৃহীত ছবি
ভাতিজিকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর খালার বকাবকিতে ক্ষুব্ধ হয়ে দুজনকেই হত্যা করেন শরিফুল ইসলাম শরীফ। পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি-নাতনি হত্যার ঘটনা নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ৩৫ বছরের শরীফ নিহত বৃদ্ধার বোনের ছেলে ও নিহত কিশোরী জামিলার চাচা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে ঘটনার বর্ণনা দেন তিনি।
পাবনা জেলা ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম রোববার ব্রিফিংয়ে জানালেন, শরীফের বর্ণনা অনুযায়ী গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে তিনি জামিলাদের বাড়িতে বাজার পৌঁছে দিতে যান। সে সময় সুফিয়া খাতুন বাড়িতে ছিলেন না। সেই সুযোগে শরীফ শ্লীলতাহানির চেষ্টা করলে জামিলা তাকে চড় মারেন। পরে গত শুক্রবার রাতে গিয়ে খালা সুফিয়া খাতুন ও ভাতিজি জামিলার কাছে ক্ষমা চান। সুফিয়া তাকে চিৎকার করে বকতে থাকেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পাশে পড়ে থাকা কাঠের বাটাম দিয়ে সুফিয়ার মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন শরীফ। মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বৃদ্ধা। জামিলা চিৎকার করতে থাকলে তাকেও একইভাবে আঘাত করা হয়।
পরে জামিলাকে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ির পাশের সরিষাক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করেন শরীফ।
জামিলা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণিতে পড়ত। এ ঘটনায় জামিলার বোন ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছেন। তাতে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে শরীফকে।
পাবনা ডিবি পুলিশের অভিযানে তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় তাকে শনিবার রাতে আটক করা হয়।

