রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের দাবি নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর

সংগৃহীত ছবি
খুলনায় রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অতিসত্বর বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। জেলা স্টেডিয়ামে সোমবার দলের ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এ দাবি তোলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ভাষ্য, ‘লোকজন আমাকে বলছেন ধ্বংসাত্মক কথা একটু কমিয়ে বলতে, গঠনমূলক কথা যেন বলি। নির্দিষ্ট করে একটি বিষয় বলতে চাই, খুলনায় ভারত একটি কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র করেছে। এটি পরিবেশের জন্য, খুলনার প্রাণবৈচিত্র্যের জন্য চরম হুমকি। এটি অতিসত্বর বন্ধ করে দিতে হবে। শ্রীলঙ্কায় গণ-অভ্যুত্থান হয়েছিল, তারাও ভারতকে লাল কার্ড দেখিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছে।
পাড়ায়-মহল্লায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে কমিটি গঠনের আহ্বান জানালেন তিনি। উৎসাহ দিলেন, ‘ভয় পাওয়া যাবে না।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্দেশে বার্তা দেন নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী। ‘সংসদ অধিবেশন বসলে সংবিধান সংস্কার পরিষদ করা না হলে আমরা সবাই মিলে জাতীয় সংসদের সামনে যাব। আমরা বলব—গুন্ডা, মাস্তান ও চাঁদাবাজদের নিয়ে সংসদে কী করবেন? আমরা এদের ঠিক করে দেব।’
অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলামও বক্তব্য দেন। ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের কারণে আজ আমরা একই মঞ্চে উপস্থিত হতে পেরেছি। শত শত শহীদের রক্তের ওপর আমরা এখানে বসতে পেরেছি। জাতীয় সংসদে একসাথে বসে আমরা জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে চাই। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব আদেশ বাস্তবায়ন করতে চাই।’
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপি সরকারে হুঁশিযারি দেন। ‘বিএনপি ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেননি সরকারি দলের সদস্যরা। তারা সংবিধানের দোহাই দেন, অথচ সংবিধানের দোহাই ইতিপূর্বেও অনেকে দিয়েছিলেন। তাদের পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।’



