পাকা রাস্তাটি যেন হালচাষের জমি

ছবি: আগামীর সময়
লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌর শহরের নতুন বাজার থেকে মহিলা কলেজ সড়ক পর্যন্ত ড্রেনের নির্মাণকাজ শুরু হয় প্রায় এক বছর আগে। ড্রেন খননের মাটি স্তূপ করা হয়েছে রাস্তার পাশেই। এতে বন্ধ হয়ে গেছে পানিনিষ্কাশন। সামান্য বৃষ্টিতেই কাদায় একাকার সড়ক। এসব বাড়িয়েছে জনদুর্ভোগ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার কোথাও গর্ত, কোথায় জমে আছে নোংরা পানি ও থিকথিকে কাদা। দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি ঢালাই করা রাস্তা। মনে হয় যেন হালচাষের জমি। যানবাহন চলাচল তো দুষ্কর, হাঁটতেও বেগ পেতে হয় পথচারীদের।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বৃষ্টির পানি পরিকল্পনা অনুযায়ী যাওয়ার কথা ডাকাতিয়া নদীতে। বাস্তবে তা হচ্ছে না। এখন সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে কাদা ও জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে বাজার এলাকায়। আবার যানবাহন চলাচলের সময় কাদাপানি ছিটকে পড়ে পথচারীর গায়ে, আশপাশের দোকান ও বাসাবাড়িতে। এ সড়ক ব্যবহারকারীদের ভোগান্তির শেষ নেই।
কাদা ও জলাবদ্ধতার কারণে কমে গেছে ক্রেতা। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাজারের বেচাকেনা— দাবি সেখানকার ব্যবসায়ীদের।
পৌর কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন বাজার থেকে মহিলা কলেজ পর্যন্ত ড্রেন নির্মাণে টেন্ডার হয়েছে ১৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার। উপজেলা মোড় থেকে নর্দমা পর্যন্ত টেন্ডার আরও ১৬ কোটি ৫৭ লাখ টাকার।
সঠিক তদারকি ও পরিকল্পনার অভাবে এমন পরিস্থিতি, মনে করছেন স্থানীয়রা। খনন করা মাটি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার এবং কার্যকর পানিনিষ্কাশনের দাবি তাদের।
রায়পুর পৌর প্রশাসক মেহেদী হাসান কাউছার বলেছেন, ‘পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় সড়কের পাশে মাটি রাখা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে জনদুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। আমরা ঠিকাদারকে দ্রুত মাটি সরিয়ে কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছি, যাতে মানুষের দুর্ভোগ কমে।’



