আগামীর সময়

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের দাফন সম্পন্ন

বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের দাফন সম্পন্ন

বাগেরহাটের রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে নিহত বর সাব্বিরসহ ১৪ সদস্যকে দাফন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) পৃথক পৃথক জায়াগায় আলাদা আলাদা সময়ে তাদের দাফন সম্পন্ন হয়।

সকালে খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার নাকশা গ্রামের বাড়ির পাশের মাঠে নববধূ মার্জিয়া আক্তার মিতু, ছোট বোন লামিয়া, দাদি রাশিদা বেগম ও নানি আনোয়ারা বেগমের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়।

মাইক্রোবাস চালক বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার পেড়িখালি ইউনিয়নের সিংগেরবুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা। শুক্রবার জুমার আগে নিজ বাড়িতে সম্পন্ন হয়েছে তার নামাজে জানাজা।

জুমাবাদ মোংলা উপজেলা পরিষদ মাঠে বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকসহ তার পরিবারের ৯ সদস্যের নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়।

জানাজায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী, নিহতদের স্বজনসহ কয়েক হাজার মানুষ অংশ নেন।

জানাজার আগ মুহূর্তে পরিবারের নিহত সদস্যদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আশরাফুল আলম জনি।

জানাজাপূর্ব বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলছিলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি হৃদয়বিদারক দুর্ঘটনা। প্রধানমন্ত্রী নিহত পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। আব্দুর রাজ্জাক সজ্জন ব্যক্তি ছিলেন। তিনিসহ নিহত সবার রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ বলছিলেন, যে বাড়িতে আজ আনন্দের ফল্গুধারা থাকার কথা, সেখানে আজ বিশাদের কালো ছায়া। আমরা শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।

উল্লেখ, গতকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়। বর-কনেসহ ১৪ জনের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মরদেহগুলো হস্তান্তর করা হয়।



    শেয়ার করুন: