এশিয়ান ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু

সংগৃহীত ছবি
“সুশাসন, ন্যায়বিচার ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এইউবি)-এ দুই দিনব্যাপী চতুর্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২০২৬ শুরু হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) রাজধানীর ঢাকা শেরাটন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আশুলিয়াস্থ নিজস্ব ক্যাম্পাসে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।
সম্মেলনের উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও অনিবার্য কারণে তিনি অংশ নিতে পারেননি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ অ্যাক্রিডিটেশন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন এবং সোমালিয়ার দারুস সালাম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. শেখ আসিফ এস মিজান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া।
বক্তারা উল্লেখ করেন, সুশাসনের কোনো বিকল্প নেই। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও আইনের শাসন নিশ্চিতের মাধ্যমে আদর্শ শাসনব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব। তাদের ভাষ্য, নৈতিক নেতৃত্ব ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় থেকেই তরুণদের প্রস্তুত করতে হবে।
সম্মেলনের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এইউবি’র প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আবুল হাসান মুহাম্মদ সাদেক। তিনি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নৈতিক নেতৃত্বের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
উদ্বোধনী সেশনের পর অনুষ্ঠিত বিশেষ বিজনেস সেশনে আলোচক হিসেবে অংশ নেন এইউবি’র স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ জাফর সাদেক, স্কুল অব সোশ্যাল সায়েন্সের ডিন প্রফেসর ড. খান মুহাম্মদ মঈনুল হক এবং ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি চট্টগ্রামের প্রফেসর মুহাম্মদ এমদাদ হুসাইন।
সম্মেলনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১১টি দেশের শিক্ষাবিদ, গবেষক ও পেশাজীবীরা অংশ নিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে মিশর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। দেশের ও বিদেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ১৬টি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এতে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করছেন।
সম্মেলনের সার্বিক আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছেন এইউবি’র ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার ড. রাশেদুল আলম। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ আয়োজনের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুশাসন ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।



