আগামীর সময়

‘হ্যারি পটার’ ফেরার আনন্দের মাঝে স্নেপ আর হারমায়োনিকে নিয়ে বিতর্ক

‘হ্যারি পটার’ ফেরার আনন্দের মাঝে স্নেপ আর হারমায়োনিকে নিয়ে বিতর্ক

সংগৃহীত ছবি

জাদুর দুনিয়ার সেই হ্যারি পটার, রন আর হারমায়োনিকে আবারও পর্দায় দেখার স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে। দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে ২৬ মার্চ প্রকাশ করা হলো বহুল প্রতীক্ষিত ‘হ্যারি পটার’ সিরিজের প্রথম টিজার।

২০২৬ সালের বড়দিনে এইচবিও-তে মুক্তি পাবে এই মেগা সিরিজটি। তবে টিজার প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বইছে প্রশংসার জোয়ার আর বিতর্কের ঝড় দুই-ই।


​এবারের সিরিজের সবচেয়ে বড় চমক হলো, প্রতিটি বইয়ের জন্য আলাদা একটি করে সিজন রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ সিনেমার দুই-তিন ঘণ্টায় যা দেখানো সম্ভব হয়নি, এবার সিরিজের ৮-১০ ঘণ্টায় সেই খুটিনাটি সব জাদুকরী রহস্য উঠে আসবে। টিজারের শুরুতেই দেখা যায় ডার্সলি পরিবারে হ্যারির সেই করুণ জীবন আর ডাম্বলডোরের চিঠির জন্য হাহাকার। মিউজিক আর পরিবেশ দেখে অনেক ভক্তই নস্টালজিক হয়ে পড়েছেন।


​কিন্তু গোল বেধেছে কাস্টিং নিয়ে। বিশেষ করে প্রফেসর স্নেপ এবং হারমায়োনি গ্রেঞ্জার চরিত্রে অভিনয়শিল্পীদের পছন্দ করতে পারছেন না অনেক ‘পটারহেড’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একজন লিখেছেন, "সিনেমা দেখে বড় হয়েছি, এখন এই নতুন স্নেপকে মেনে নেওয়া অসম্ভব" আবার কেউ বলছেন, "বইয়ের বর্ণনার সাথে এই কাস্টিংয়ের কোনো মিল নেই।" মূলত ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ বা অ্যালান রিকম্যানদের জায়গায় নতুন মুখদের মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে একদল ভক্তের।


​সিরিজটিতে হ্যারি পটারের ভূমিকায় অভিনয় করছেন খুদে ডমিনিক ম্যাকলাফলিন। তার সাথে রন চরিত্রে অ্যালাস্টেয়ার স্টাউট এবং হারমায়োনি হিসেবে থাকছেন অ্যারাবেলা স্ট্যান্টন। কাস্টিং নিয়ে বিতর্ক থাকলেও সিরিজের প্রোডাকশন ভ্যালু আর বইয়ের প্রতি বিশ্বস্ত থাকার প্রতিশ্রুতি দেখে অনেক ভক্তই মুখিয়ে আছেন আবারও হগওয়ার্টসে ফেরার জন্য।

সূত্রঃ নিউজ ১৮

    শেয়ার করুন: