আগামীর সময়

ভোটে নারীদের নিরাপদ অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ

ভোটে নারীদের নিরাপদ অংশগ্রহণ চায় জাতিসংঘ

সংগৃহীত ছবি

রাত পোহালেই ভোট। নতুন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় ভোট দিতে মুখিয়ে আছে সারাদেশ। বরাবরই নারী ভোটারদের নিরাপত্তা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অংশগ্রহণে কথা বলে থাকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। সংসদ ও গণভোটের প্রাককালে আবারও আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশের জাতিসংঘ মিশন। তারা বলছে, নির্বাচনে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অর্থবহ অংশগ্রহণ সবার মৌলিক অধিকার।

আজ বুধবার বেলা ২টায় বাংলাদেশে জাতিসংঘ মিশন নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, সকল নারী বিশেষ করে প্রতিবন্ধী নারী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নারী, ভিন্ন লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষ এবং সমাজে যারা বেশি বাধা, বৈষম্য বা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ঝুঁকিতে থাকেন, তাদের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত। নির্বাচনের আগে, বিভিন্ন নারী সংগঠন ও নাগরিক সমাজ নারী প্রার্থী ও ভোটারদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও হয়রানি, বিশেষ করে অনলাইন সহিংসতা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে, সে বিষয়ে জাতিসংঘ সচেতন। রাজনৈতিক নেতা, কর্মী, সাংবাদিক এবং মানবাধিকার রক্ষাকারীসহ জনজীবনে কর্মরত নারীরা সাইবার বুলিং, ডিপফেক, পরিকল্পিত হয়রানি এবং ছবি বিকৃত করে অপব্যবহারসহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে পরিবর্তিত বা যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ কনটেন্টের ঘটনা বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন।

জাতিসংঘ সকল অংশীজনের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে নারীদের অর্থপূর্ণ প্রতিনিধিত্ব ও নেতৃত্ব নিশ্চিত করার পক্ষে কাজ করে আসছে উল্লেখ করে সংস্থাটি নারীদের নির্বাচনী অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা দেওয়ার কথা জানায়। বিবৃতিতে নারীসহ সকল ভোটার যেন ভয়ভীতি, বৈষম্য, অনলাইন নির্যাতন বা প্রতিশোধের আশঙ্কা ছাড়াই প্রার্থী ও ভোটার হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতে জোর দেওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘ সব অংশীদার, বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতা, তাদের দল ও সমর্থকদের আহ্বান জানিয়েছে যেন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় নারীর প্রতি কোনো প্রকার হয়রানি, সহিংসতা বা ভয়ভীতি দেখানো না হয়। এটি নারী প্রার্থী ও ভোটারদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য, যাদের অংশগ্রহণ ও নিরাপত্তা অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য অপরিহার্য।

জাতিসংঘ মিশন বলছে, আমরা বিশ্বাস করি কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা, আইনের শাসন এবং প্রতিটি ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে।সবার নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ সবসময় সরকারের পাশে থেকে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    শেয়ার করুন: