আগামীর সময়

ঈদের পর কমছে গরুর মাংসের দাম, মাছ-মুরগির বাজারে ভিন্ন চিত্র

ঈদের পর কমছে গরুর মাংসের দাম, মাছ-মুরগির বাজারে ভিন্ন চিত্র

সংগৃহীত ছবি

পবিত্র ঈদুল ফিতরের রেশ কাটতে না কাটতেই ঢাকার বাজারে ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক দিন আগেও যে গরুর মাংস ৮০০-৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, আজ তা আগের দামে অর্থাৎ ৭৮০ টাকায় ফিরে এসেছে। তবে মাংসের দাম কমলেও মাছের বাজারে বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয় পক্ষের উপস্থিতিই বেশ কম।

অন্যদিকে গরুর মাংসের দাম কমলেও ব্রয়লার মুরগির বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। আর রাজধানীর মাছের বাজারগুলো এখন প্রায় জনশূন্য।

ঈদের চাহিদাকে পুঁজি করে চড়া হওয়া গরুর মাংসের দাম আজ থেকে কমতে শুরু করেছে। মুগদা এলাকার বিক্রেতারা জানান, ঈদের সময় বাড়তি চাহিদা থাকায় দাম বাড়লেও এখন তা স্বাভাবিক হয়ে ৭৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তবে উৎসব এলেই দাম বাড়ানোর এই প্রবণতা নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ দেখা গেছে। আশিকুর রহমান নামের এক ক্রেতা জানান, মাত্র দুই দিন আগে ৮৫০ টাকা কেজিতে মাংস কিনলেও আজ তা ২১০ টাকা কমে (৩ কেজিতে) কিনতে পারছেন।

গরুর মাংসের দাম কমলেও ব্রয়লার মুরগির বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। আজ রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকায়। তবে সুখবর আছে সোনালি মুরগির দামে।

গত কয়েক দিনে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায় বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগি আজ ৩৭০ থেকে ৩৮০ টাকায় নেমে এসেছে। বিক্রেতাদের দাবি, বাজারে সরবরাহ বাড়তে থাকায় দাম কমতে শুরু করেছে।

এদিকে, ঈদের ছুটিতে অনেক ব্যবসায়ী গ্রামে চলে যাওয়ায় রাজধানীর মাছের বাজারগুলো এখন প্রায় জনশূন্য। হাতেগোনা কয়েকটি দোকান খোলা থাকলেও সেখানে ক্রেতার আনাগোনা নেই বললেই চলে।

আজ বড় সাইজের রুই ৩৫০-৩৭০ টাকা, মাঝারি ৩০০-৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাবদা (বড়) ৪০০ টাকা, চিংড়ি (মাঝারি) ৯০০ টাকা, বোয়াল (ছোট) ৬৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০-২৫০ টাকা, পাঙাশ ২১০-২২০ টাকা ও কই ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    শেয়ার করুন: