ঢাকার ২০ আসনে কারা বিজয়ী, ব্যবধান কত

ফাইল ছবি
বহুল প্রত্যাশিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের দেওয়া রায় জানা গেছে আগেই। আজ শুক্রবার ২৯৭টি আসনের বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। এর মধ্যে রয়েছে ঢাকার ২০টি আসনও। প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকায় ১৩টি আসনে বিএনপি ও ৭টি আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীও।
চলুন দেখে নেওয়া যাক ঢাকার কোন আসনে কে বিজয়ী হলেন:
ঢাকা-১
ঢাকা-১ (দোহার ও নবাবগঞ্জ) আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।
ঢাকা-২
ঢাকা-২ (কেরানীগঞ্জ) আসনে ১ লাখ ৬৩ হাজার ২০ ভোট পেয়ে জিতেছেন বিএনপির আমানউল্লাহ আমান। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের কর্নেল (অব.) আব্দুল হক পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৬৫৫ ভোট।
এই আসনে মোট ভোটার চার লাখ ১৯ হাজার ২১৬ জন। ভোট পড়েছে দুই লাভ ৫৩ হাজার ৯২৪টি। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা দুই লাখ ৫০ হাজার ১৯৮টি। বাতিল হয়েছে তিন হাজার ৭২৬টি ভোট। এ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম পেয়েছেন ছয় হাজার ৩৫২টি ভোট।
ঢাকা-৩
ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম। তিনি ৮২ হাজার ২৩২ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-৪
ঢাকা-৪ আসনে প্রাথমিক ফলাফলে প্রায় ৩ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৈয়দ জয়নুল আবেদীন। তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মোট ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।
ঢাকা-৪ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১১৬টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। মোট ভোটার ৩ লাখ ৬২ হাজার ৫০৬ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬২১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৫৫২টি। সে হিসাবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৬২ হাজার ৬৯টি। ভোট পড়ার হার ৪৫ শতাংশ।
ঢাকা-৫
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মোহাম্মদ কামাল হোসেন পেয়েছেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নবী উল্লাহ পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট। ফলে ৯ হাজার ১৫০ ভোটের ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয়।
এ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৫১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ১৯ হাজার ৯৯৬ জন। ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৪ হাজার ৭৫০ জন। বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৩৮০টি ভোট। বৈধ ভোট দাঁড়ায় ২ লাখ ১ হাজার ৩৭০টি। ভোটের হার ছিল প্রায় ৪৯ শতাংশ। অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইব্রাহীম হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ১৪ হাজার ২০৬ ভোট।
ঢাকা-৬
ঢাকা-৬ আসনের বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী ইশরাক হোসেন। তিনি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে মোট ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়েছেন। ইশরাক হোসেনের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আবদুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট। ইশরাক হোসেন ২৩ হাজার ১৫৩ ভোটের ব্যবধানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে হারিয়েছেন।
ঢাকা-৬ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১০১টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ২ লাখ ৯২ হাজার ২৮১ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩৮৮ জন। ভোটের হার ৪৮ শতাংশ। এ আসনে ভোট বাতিল হয়েছে ২ হাজার ২০৯টি। সে হিসেবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৩৭ হাজার ১৭৯টি।
ঢাকা-৭
ঢাকা-৭ আসনে ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হামিদুর রহমান। তার নিকটতম প্রার্থী জামায়াতের প্রার্থী মো. এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট। অর্থাৎ বিএনপির প্রার্থী ৬ হাজার ১৮৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন।
ঢাকা-৭ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৩৭৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৩০ হাজার ৮৬১ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬৮৬টি। সেই হিসাবে বৈধ ভোট ছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ১৭৫টি।
এ আসনে অন্য প্রার্থীদের মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইসহাক সরকার ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১১ হাজার ৫১৭ ভোট। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবদুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে ৫ হাজার ৮১ ভোট এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী মো. হাবিবুল্লাহ বটগাছ প্রতীকে ২ হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়েছেন।
ঢাকা-৮
ঢাকা-৮ আসনে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। তিনি ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর চেয়ে ৫ হাজার ২৩৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন।
আসনটির ১০৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ১০৮টিতে সরাসরি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী ভোট পান ৫৬ হাজার ৫৫২টি। এর সঙ্গে পোস্টাল ভোট যোগ হয় ২ হাজার ৮১৪টি। সব মিলিয়ে তার মোট প্রাপ্ত ভোট দাঁড়ায় ৫৯ হাজার ৩৬৬।
অন্যদিকে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ১০৮টি কেন্দ্রে পান ৫১ হাজার ৫৭২ ভোট। পোস্টাল ভোটে তিনি পান আরও ২ হাজার ৫৫৫টি। ফলে তার মোট ভোট হয় ৫৪ হাজার ১২৭।
ঢাকা-৯
ঢাকা-৯ আসনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি মোট ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পেয়েছেন।
হাবিবুর রশিদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া। তিনি পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। আর এ আসনে সাবেক এনসিপি নেত্রী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।
ঢাকা-১০
ঢাকা-১০ আসনের ভোটে বেসরকারিভাবে পাওয়া ফলে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম। তিনি নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী মো. জসীম উদ্দীন সরকারের তুলনায় ৩ হাজার ৩০০ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ফলাফল অনুযায়ী, রবিউল আলম ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট। অপরদিকে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জসীম উদ্দিন সরকার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।
ঢাকা-১০ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৬৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪ হাজার ৬০৪ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৫০ জন। এই আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৩৭টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। ভোটের হার ছিল ৪৩ শতাংশ।
ঢাকা-১১
ঢাকা-১১ আসনের প্রাথমিক ফলাফলে ২ হাজার ভোটের ব্যবধানে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। এই আসন থেকে শাপলাকলি প্রতীকে তিনি মোট ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়েছেন। নাহিদ ইসলামের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট। অর্থাৎ নাহিদ কাইয়ুমের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা-১১ আসনে পোস্টাল ভোটসহ ১৬৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়। মোট ভোটার ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭০ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৩ হাজার ৫১৭টি। সে হিসাবে বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৯২ হাজার ৮৫৩টি। ভোট পড়ার হার ৪৫ শতাংশ।
ঢাকা-১২
ঢাকা-১২ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ে ছিলেন তিনজন সাইফুল। বিএনপি জোট মনোনীত বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ‘কোদাল’ প্রতীকে সাইফুল হক, জামায়াতের প্রার্থী সাইফুল আলম এবং স্বতন্ত্র ছিলেন সাইফুল ইসলাম। এই লড়াইয়ে বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী সাইফুল হককে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে জয় পেয়েছেন জামায়াতের সাইফুল।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে সাইফুল আলম পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক ‘কোদাল’ প্রতীকে পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট। অর্থাৎ সাইফুল হক থেকে ২২ হাজার ১৮০ ভোট বেশি পেয়েছেন সাইফুল আলম। তৃতীয় অবস্থানে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট।
ঢাকা-১২ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৩২০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩৪৯ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬৮ জন।
ঢাকা-১৩
ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী মামুনুল হকের চেয়ে ২ হাজার ৩২০ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি। ববি হাজ্জাজ মোট ভোট পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭। অন্যদিকে মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি।
ঢাকা-১৪
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম মোট ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।
তবে নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে ব্যাপক অনিয়ম, ভোট জালিয়াতি ও প্রশাসনের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে ফলাফল বাতিল চেয়েছেন সানজিদা ইসলাম তুলি। একইসঙ্গে এ আসনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপির এই প্রার্থী।
ঢাকা-১৫
ঢাকা-১৫ আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। জামায়াত আমির মোট ভোট পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১টি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে জামায়াতের আমির ২১ হাজার ৬১৪ ভোট বেশি পেয়েছেন।
ঢাকা-১৫ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন। এ আসনে তৃতীয় লিঙ্গের চারজন ভোটার আছেন। আটজন প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
ঢাকা-১৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মো. আমিনুল হক ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে ৩ হাজার ৩৬১ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন৷
ঢাকা-১৭
দিনভর দেশবাসীর চোখ ছিল ঢাকা-১৭ আসনে। রাজধানীর এ আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীতার মুখে পড়েন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রিটার্নিং কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত ফলাফলের তথ্য বলছে, এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। অর্থাৎ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।
এই আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৩ জন। এর মধ্যে ৪৪ দশমিক ৩০ শতাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন।
ঢাকা-১৮
ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আরিফুল ইসলাম শাপলাকলি প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।
ঢাকা-১৯
ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।
ঢাকা-১৯ আসনে এবারের নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭৬ জন। ভোট বাতিল হয়েছে ৫ হাজার ৪৮৭টি। আসনটিতে ভোট পড়েছে ৪৫.৪৩ শতাংশ।
ঢাকা-২০
ঢাকা-২০ (ধামরাই) আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আসনটির ১৪৭টি কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৬০ হাজার ৪২৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থী এনসিপির নাবিলা তাসনিদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৩৪৩ ভোট।

