৫ দিনের রিমান্ডে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী

সংগৃহীত ছবি
মানবপাচার মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও ১/১১ আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সন্ধ্যায় এ রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ।
এর আগে রাজধানীর পল্টন থানার এক মামলায় মাসুদকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এর পরিপ্রেক্ষিতে পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
তার আগে সোমবার (২৩ মার্চ) গভীর রাতে ডিবির একটি বিশেষ দল রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে।
‘মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মানবপাচার, প্রতারণা, চাঁদাবাজি, হত্যাসহ ঢাকায় পাঁচ এবং ফেনীতে ছয়টি মামলা রয়েছে। ফেনীর একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে আগেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল’—জানালেন ডিবিপ্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসির দায়িত্বে থাকা মেজর জেনারেল মাসুদ এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর পদোন্নতি পেয়ে লেফটেনেন্ট জেনারেল হন। সে সময় আলোচিত ‘গুরুতর অপরাধ দমন-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটি’র সমন্বয়ক ছিলেন এই কর্মকর্তা।
ওই কমিটির প্রধান ছিলেন তখনকার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এম এ মতিন। তবে জরুরি অবস্থার ওই সময়ে পর্দার আড়ালে থেকে জেনারেল মাসুদই যৌথবাহিনীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করতেন বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হত।
অভিযোগ আছে— ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি জরুরি অবস্থা জারি এবং ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সেনা কর্মকর্তাদের একজন ছিলেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী।

