আগামীর সময়

গ্যাসের লিকেজ ঠেকাতে কাজ করবে ৩ মন্ত্রণালয়: দুলু

গ্যাসের লিকেজ ঠেকাতে কাজ করবে ৩ মন্ত্রণালয়: দুলু

সংগৃহীত ছবি

গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনা দুইদিনেই ঘটেছে তিনটি। দগ্ধ হয়েছেন শিশুসহ ১৭ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রামের ঘটনায় মারা গেছেন মা-ছেলেসহ তিনজন। দগ্ধরা চিকিৎসাধীন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।


চট্টগ্রামের দগ্ধদের দেখতে মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে যান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। গ্যাস থেকে বিস্ফোরণ বন্ধে তিন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে কাজ করা হবে বলে আশ্বস্ত করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু।


দেশে বছরজুড়েই গ্যাস লিকেজের কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে উল্লেখ করে তিনি বললেন, ‛আমরা এটা নিয়ে কাজ করতে চাই, শিল্প, স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে; মেয়াদোত্তীর্ন সিলিন্ডার বিক্রি ঠেকাতে এগুলোকে একটা নিয়মের মধ্যে কীভাবে আনা যায়, তা নিয়ে আমরা তিন মন্ত্রণালয় বসব...।’


দগ্ধদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন।


চট্টগ্রামের হালিশহরে সোমবার ভোর সাড়ে ৪টায় এইচ ব্লকের একটি ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার ফ্ল্যাটে বিস্ফোরণের পর ধরে যায় আগুন। দগ্ধ হন তিন ভাই ও তাদের স্ত্রী-সন্তানসহ ৯ জন। 


প্রথমে তাদের ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। রাতে আনা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাসিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। পথেই মারা যান ৪০ বছরের নুরজাহান আক্তার রানী।


শ্বাসনালীসহ শরীরের ৫০ শতাংশ পোড়া নিয়ে চিকিৎসাধীন ১৬ বছরের শাওনের মৃত্যু হয় মঙ্গলবার সকালে। শাওন রানীর বড় ছেলে। বেলা গড়াতেই আসে শাওনের চাচা ৪০ বছরের সামির আহমেদ সুমনের মৃত্যুর খবর।


এর আগে সোমবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে ঢাকার রায়েরবাজার মুক্তি সিনেমা হলের সামনে জাহানারা ভিলা নামের ছয়তলা ভবনেও ঘটে বিস্ফোরণ।

ভবনটির নিচতলার ফ্ল্যাটে ওই গ্যাসে থেকে আগুন ও বিস্ফোরণে দগ্ধ হন শিশুসহ একই পরিবারের চার সদস্য। তারাও চিকিৎসাধীন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাদের মধ্যে পিংকী আক্তার নামে নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। সেহরির সময় রান্নাঘরের চুলা জ্বালাতেই আগুন ধরে যায় বলে জানান স্বজনরা।


সবশেষ ঘটনাটি কুমিল্লার। জেলার দাউদকান্দিতে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ হলেন শিশুসহ একই পরিবারের চারজন। ভবনের নিচতলা এখন ধ্বংসস্তুপ।

উপজেলার বলদাখাল এলাকায় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে একটি তিনতলা ভবনে ঘটে দুর্ঘটনাটি।

তাদের সকাল ৬টার দিকে আনা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। এর মধ্যে দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    শেয়ার করুন: