ভোটের দিন চর দখল ঠেকাতে ব্যস্ত ছিলাম: ব্যারিস্টার ফুয়াদ

সংগৃহীত ছবি
নির্বাচনে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার কারণে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন বরিশাল-৩ আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত ও এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া (ফুয়াদ)।
রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টার দিকে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ভোটের দিন বাবুগঞ্জ ও মুলাদিতে প্রকাশ্যে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, কেন্দ্র দখল, ভয়ভীতি ও জালভোটের একাধিক ঘটনা আমরা স্বচক্ষে দেখেছি। তিনি বলেন, এই মতবিনিময়ের দুটি উদ্দেশ্য রয়েছে। প্রথমত, গত ১২ তারিখের নির্বাচনে চর দখল ও পাল্টা দখলের যে বাস্তবতা আমরা মাঠে দেখেছি, তা গণমাধ্যমের সঙ্গে ভাগাভাগি করা। দ্বিতীয়ত, নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ভয়ভীতি ও হয়রানির বিষয়গুলো তুলে ধরা।
আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অংশের পেশাদার ভূমিকার প্রশংসা করে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, এজন্য আমরা কৃতজ্ঞ। একই সঙ্গে সামগ্রিকভাবে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার দায়িত্ব ছিল নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের।
প্রশাসনের ভেতর আন্তরিক মানুষ ছিলেন- এমন দাবি করে ফুয়াদ বলেন, বাবুগঞ্জ ও মুলাদিতে ইউএনওসহ কিছু কর্মকর্তাকে আমরা পেয়েছি যারা ভালো নির্বাচন চেয়েছেন।
কিন্তু পুরো ব্যবস্থাপনায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি। ভোটের দিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাবুগঞ্জে কেন্দ্র দখল ঠেকাতে গিয়ে মুলাদিতে পর্যাপ্ত নজর দেওয়া সম্ভব হয়নি। মুলাদি একটি বিচ্ছিন্ন এলাকা হওয়ায় সেখানে সেনাবাহিনী ও র্যাবের দ্রুত উপস্থিতিও কঠিন ছিল। মুলাদীতে অনেক এজেন্ট ভয় পেয়ে ভোটের দিন কেন্দ্র ছেড়ে চলে যান এবং দুই দিন পর ভিডিও পাঠিয়ে জানান, কীভাবে ব্যালট স্টাফিং হয়েছে।
তাঁর ভাষ্য, আমাদের কাছে প্রতি মিনিটে খবর আসছিল কোথাও ব্যালট বাক্স ছিনতাই, কোথাও পেছনের গেট দিয়ে ঢুকে পড়া, কোথাও অস্ত্র নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ। কোথাও আধা ঘণ্টা ধরে সিল মারা হয়েছে। আধা ঘণ্টায় একটি কেন্দ্রে কী পরিমাণ ভোট জাল হতে পারে, সেটা তো সাধারণ বোধেই বোঝা যায়। গণভোটের সংখ্যার তুলনায় সংসদ সদস্য নির্বাচনে ভোট বেশি পাওয়া গেছে। এই তথ্য তুলে ধরে ফুয়াদ বলেন, ‘সংখ্যাগত তথ্য ব্যালট স্টাফিংয়ের ইঙ্গিত দেয়।

