আগামীর সময়

কাল সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার

কাল সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে শেষ হচ্ছে নির্বাচনী প্রচার

সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত সময়সীমা অনুসারে আগামীকাল ১০ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার মধ্যে নির্বাচনী প্রচার শেষ করতে হবে। সে কারণে আজ রাতের প্রথমার্ধেই প্রচরের শেষ সুযোগ ধরে নিয়ে কর্মসূচি সাজিয়েছেন দল ও প্রার্থীরা।

আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাঁর নিজের নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাতটিসহ মোট আটটি পথসভায় যোগ দেবেন। ঢাকা-১৭ আসনের বনানী কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ খেলার মাঠে সকাল ১১টায়, ঢাকা-১০ আসনে শেখ রবিউল আলমের নির্বাচনী এলাকা কলাবাগান ক্রীড়া চক্র মাঠে দুপুর ১২টায়, ঢাকা-৮ আসনে মির্জা আব্বাসের নির্বাচনী এলাকায় পীর জঙ্গি মাজার রোডে দুপুর ১টায়, ঢাকা-৯ আসনে হাবিবুর রশিদ হাবিবের নির্বাচনী এলাকায় বাসাবো তরুণ সংঘ মাঠে দুপুর ২টায়, ঢাকা-৫ আসনে নবীউল্লাহ নবীর এলাকায় যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক রোডে বিকেল ৩টায়, ঢাকা-৪ আসনে তানভীর আহমেদ রবিনের নির্বাচনী এলাকা জুরাইন-দয়াগঞ্জ রোডে বিকেল ৪টায়, ঢাকা-৬ আসনে ইশরাক হোসেনের নির্বাচনী এলাকা ধূপখোলা মাঠে বিকেল ৫টায় এবং ঢাকা-৭ আসনে হামিদুর রহমান হামিদের নির্বাচনী এলাকা লালবাগ বালুর মাঠে সন্ধ্যা ৬টায় পথসভায় যোগ দেবেন। এরপর রাত ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ভাষণ দিতে পারেন তিনি।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগ ও গণমিছিলে যোগ দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার সমাপ্তি টানতে পারেন। সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে তাঁর ভাষণ বিটিভিতে প্রচারের কথা রয়েছে। এ ছাড়া দলটির প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগে ব্যস্ত থাকবেন।

এদিকে গতকাল রবিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নেমেছেন বিভিন্ন বাহিনীর প্রায় ১০ লাখ সদস্য। সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, আনসার, ভিডিপিসহ বাহিনীগুলোর সদস্যরা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট সাত দিন নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন।

ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা থেকে শুরু করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালনের সব ক্ষেত্রেই রিটার্নিং অফিসারদের অধীনে কাজ করবে এসব বাহিনী। এ ছাড়া বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গতকাল থেকে মোট ৯ লাখ ৭০ হাজার ৯৪৮ জন নিরাপত্তা সদস্যের নির্বাচনী দায়িত্বে থাকার কথা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন সেনাবাহিনীর এক লাখ তিন জন সদস্য।

এ ছাড়া নৌবাহিনীর পাঁচ হাজার, বিমানবাহিনীর তিন হাজার ৭৩০, বিজিবির ৩৭ হাজার ৪৫৩, কোস্ট গার্ডের তিন হাজার ৫৮৫, পুলিশের এক লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩, র‌্যাবের ৯ হাজার ৩৪৯ এবং আনসার ও ভিডিপির পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৪৮৩ জন সদস্য মোতায়েন থাকবেন। এর বাইরে এক হাজার ৯২২ জন বিএনসিসি ক্যাডেট এবং ৪৫ হাজার ৮২০ জন গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার ও দফাদার) দায়িত্ব পালন করবেন। নৌবাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন উপকূলীয় ১৭টি আসনের ২৪টি উপজেলায় ও দুটি সিটি করপোরেশনে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটও ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকবেন।

    শেয়ার করুন: