আগামীর সময়

২০ বছর পর বরিশালে যাচ্ছেন তারেক রহমান

২০ বছর পর বরিশালে যাচ্ছেন তারেক রহমান

সংগৃহীত ছবি

দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘ ২০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আজ (বুধবার) বরিশাল আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে ভোর থেকেই বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ ফজর নামাজ পড়েই ঐতিহাসিক বেলস পার্ক মাঠের দখল নিয়েছেন।

বরিশালে দলীয় সমাবেশ ও দলের চেয়ারম্যানের আগমন উপলক্ষে দলীয় নেতাকর্মীদের মনে উৎসব বিরাজ করছে । পাশাপাশি সমাবেশে ২১টি আসনের প্রার্থীদের উপস্থিতি আরো গতিশীল করেছে ।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, “জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাত ধরে বরিশালে যে উন্নয়ন হয়েছে, তারেক রহমান
সেই ধারাকে পূর্ণতা দেবেন। তাকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা অনেক।”

বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা বলছেন, তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে বরিশালজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল থেকেই সমাবেশস্থলে মঞ্চ নির্মাণের কাজ চলে।

নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন এলাকায় মাইকিং করা হয়।দলীয় সূত্রগুলো বলছে, উপকূলীয় অঞ্চলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে এই সফরকে কেন্দ্র করে। সবশেষ ২০০৬ সালে বরিশাল সফর করেছিলেন তারেক রহমান। প্রায় ২০ বছর পর তার এই আগমনকে স্থানীয় বিএনপির জন্য রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন দলের নেতারা।

দলীয় সূত্র জানায়, জনসভায় বরিশাল অঞ্চলের উন্নয়নসংক্রান্ত একাধিক দাবি তারেক রহমানের কাছে তুলে ধরা হবে।

দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারি শিল্প ও ভোলার গ্যাস বরিশালে এনে সংযোগ, কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প স্থাপন, পর্যটনশিল্পের আধুনিকায়ন, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে প্রযুক্তিকেন্দ্র স্থাপন, অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে বহুজাতিক শিল্পকারখানা স্থাপন এবং প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় শিক্ষা ও চিকিৎসাব্যবস্থার আধুনিকায়ন।

মাঠের আশপাশের ভবনগুলোতে সাদাপোশাকের পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম বলেন, জনসভাকে কেন্দ্র করে যথাযথ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একজন ভিআইপির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা থাকবে। তার আগমন থেকে শুরু করে সমাবেশ শেষ হওয়া পর্যন্ত স্কেলিটন ডিউটি, সিটিএসবি ও ডিবি টিম কাজ করবে। পাশাপাশি মোবাইল টহলও জোরদার করা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে বলে জানান তিনি।


    শেয়ার করুন: