বিশ্বকাপ অভিযানে ইরাক-ইতালি

১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরতে মুখিয়ে ইতালি। ছবি: সংগৃহীত
তারা চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। অথচ টানা দুই বিশ্বকাপে সুযোগই পায়নি ইতালি। শুধু তাই নয় ২০০৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে বাদ পড়েছিল গ্রুপ পর্ব থেকে। এবার ১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরার অভিযান ইতালির।
এর শুরুটা হচ্ছে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) শুরু হতে যাওয়া ইউরোপীয় প্লে-অফে। এবারের বিশ্বকাপে ইউরোপের ১৬টি দল খেলবে। প্রথম পর্বের ১২ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন সরাসরি সুযোগ পেয়েছে। বাকি চারটি স্থানের জন্য চারটি পাথ বা ভাগে ভাগ হয়ে প্লে-অফ খেলবে ১৬টি দল। চার ভাগ থেকে চারটি দল পাবে বিশ্বকাপের টিকিট।
১৯৮৬ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল ইরাক। ২০২৬ বিশ্বকাপে এশিয়া অঞ্চল থেকে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে তারা। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে প্লে-অফ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল একটা সময়। তবে সব বাঁধা পেরিয়ে প্লে-অফ খেলতে মেক্সিকো পৌঁছেছেন ইরাকি ফুটবলাররা।
২৬ থেকে ৩১ মার্চ মেক্সিকোতে বসছে আন্তমহাদেশীয় প্লে-অফ টুর্নামেন্ট। পাঁচটি মহাদেশের ছয়টি দল অংশ নিচ্ছে সেখানে। বিশ্বকাপের টিকিট পাবে দুটি দল। ছয়টি দলকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি ভাগ থেকে একটি দল যাবে বিশ্বকাপে।
দুই নম্বর পাথওয়েতে থাকা ইরাক সরাসরি খেলবে ফাইনাল। দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া বা কনক্যাকাফের সুরিনাম ম্যাচের জয়ী হবে তাদের প্রতিপক্ষ। ইরাকের ম্যাচ ১ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টায়। এক নম্বর পাথওয়ে বা ভাগে থাকা কঙ্গো ফাইনালে খেলবে ওশেনিয়ার নিউ ক্যালেডোনিয়া ও কনক্যাকাফের জ্যামাইকার সেমিফাইনাল জয়ীর সঙ্গে।
কোচ জেনারো গাত্তুসো দায়িত্ব নেওয়ার পর ইতালি ‘গ্রুপ আই’-এ দ্বিতীয় হয়ে প্লে-অফে জায়গা করে নিয়েছে। প্লে-অফ সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ উত্তর আয়ারল্যান্ড। এই ম্যাচ জিতলে ফাইনালে ইতালি মুখোমুখি হবে ওয়েলস-বসনিয়া জয়ী দলের সঙ্গে। এই দুটি ম্যাচ জিতলে ১২ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরবে ইতালি।
ইতালির বিশ্বকাপ অভিযান নিয়ে কোচ জেনারো গাত্তুসো জানালেন,‘ ইতালি গত দুটি বিশ্বকাপে খেলেনি, কিন্তু তাদের দমবন্ধ করে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এরা এমন খেলোয়াড় যারা ইউরো জিতেছে এবং চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে খেলেছে। তারা এ ধরনের খেলায় অভ্যস্ত।’

