পিটিআই নেতাদের ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন ইমরানের বোনরা

সংগৃহীত ছবি
কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোনরা পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) নেতৃত্বের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাদের অভিযোগ— ইমরান খানের মুক্তির জন্য পিটিআই নেতারা কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
বুধবার ইসলামাবাদ হাইকোর্টের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইমরানের বোন আলেমা খান।
ইমরান খানের বোন প্রশ্ন তোলেন, ব্যারিস্টার গোহর আলী খান, লতিফ খোসা ও ব্যারিস্টার আলী জাফর কোথায়? তারা কেন মামলাগুলো অনুসরণ করছেন না? এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন উজমা খান ও নূরিন খানুম।
এদিন ইমরানের বোনেরা হাইকোর্টে গিয়ে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার মামলাগুলোর খোঁজখবর নেন। খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদিও হাইকোর্টে পৌঁছে প্রধান বিচারপতি সরফরাজ ডোগারের সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন।
ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিতে আসা ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে আছেন। ২০২২ সালের পার্লামেন্টারি ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় দণ্ডিত হন। তবে এ দন্ডিতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন ইমরান খান।
ইমরানের স্বাস্থ্যের বিষয়টি সরকার ও পিটিআই-টিটিএপি জোটের মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তার আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যামিকাস কিউরি ব্যারিস্টার সালমান সাফদারের দাখিল করা এক প্রতিবেদনের পর বিষয়টি সামনে আসে।
গত সোমবার রাতে তাকে ইসলামাবাদের পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস (পিমস)-এ স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তার চক্ষু সমস্যার চিকিৎসার অংশ হিসেবে অ্যান্টি-ভিইজিএফ ইনট্রাভিট্রিয়াল ইনজেকশনের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয় বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়।
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আলিমা বলেন, ইমরান খান এখনও জাতীয় রাজনীতি ও দলের কেন্দ্রবিন্দু। তিনি আমাদের ভাই এবং রাজনীতি তাকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নকভি যাই করুন না কেন আমরা আমাদের ভাইয়ের পক্ষেই কথা বলব।
ইমরানের বোন বলেন, দলীয় নেতারা যাই বলুন, পরিবার তাদের ভাইয়ের জন্য আওয়াজ তুলতে থাকবে।
ইমরানের আরেক বোন উজমা খান বলেন, অনেক সময় পরিবার তার মামলাগুলোর অগ্রগতি সম্পর্কেও কিছু জানে না। দলের শীর্ষ নেতাদের কোথাও দেখা যাচ্ছে না, তারা ঝিমিয়ে পড়েছে ।
আলিমা আরও বলেন, পিটিআইয়ের আইনজীবীরা সংসদ সদস্য হয়ে গেছেন এবং নিজেরাই স্বীকার করেছেন যে ভোটটি দলের প্রতিষ্ঠাতার ছিল।

