আগামীর সময়

বিষাদমাখা ঈদ লেবাননে

বিষাদমাখা ঈদ লেবাননে

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বাস্তুচ্যুত একটি শিশু বৈরুতে তাঁবুর পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ কোন দিকে যাচ্ছে, তা নিয়ে ব্যাপক অনিশ্চয়তা রয়েছে। এতে জড়িয়ে গেছে লেবাননের হিজবুল্লাহও। প্রতিক্রিয়ায় লেবাননজুড়ে হামলা চালাচ্ছে তেল আবিব। ফলে দশ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এখন রমজান মাসের শেষ। এ সময়ে মুসলমানরা ঈদ উদযাপন করে।

কিন্তু তার পরিবর্তে, লেবাননের জনসংখ্যার এক-পঞ্চমাংশ বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রাম করছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে, পার্কিং লটে, তাঁবুতে বাস করছেন। তার ওপর বৃষ্টি হচ্ছে, ঠান্ডা পড়েছে—ফলে মানুষের কষ্ট আরও বেড়ে গেছে।

তারা নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন ইসরায়েলি হামলার কারণে। একই সঙ্গে মানুষ তাদের প্রিয়জনদের মৃত্যুতেও শোকাহত।

এই সংঘাতে এখন পর্যন্ত এক হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে শতাধিক শিশু রয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে অনেক শিশুও।

জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফ সতর্ক করে বলেছে, এসব শিশুদের অনেকেই মানসিক আঘাতে ভুগছে।

এটাও মনে রাখা জরুরি যে, এই মানুষদের অনেকেই ২০২৪ সালের আগের সংঘাতেও বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। সেই সময় থেকে তারা ঠিকমতো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি—একটি সংকটের পর আরেকটি সংকটের মুখোমুখি হচ্ছে তারা।

সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে পারছে না, আর জাতিসংঘের সংস্থাগুলোও হিমশিম খাচ্ছে, কারণ আন্তর্জাতিক সহায়তার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল নেই।

গত সপ্তাহে জাতিসংঘের মহাসচিব লেবানন সফরে গিয়েছিলেন। তখন তিনি ৩০০ মিলিয়ন ডলারের জরুরি সহায়তার আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত এর মাত্র এক-তৃতীয়াংশ অর্থই পাওয়া গেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

    শেয়ার করুন: