আগামীর সময়

ইমরান-বুশরার সাজা স্থগিতের আবেদন শুনানির তারিখ নির্ধারণ

ইমরান-বুশরার সাজা স্থগিতের আবেদন শুনানির তারিখ নির্ধারণ

ফাইল ছবি

আল-কাদির ট্রাস্ট বা ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড দুর্নীতি মামলায় ইমরান খান ও বুশরা বিবির সাজা স্থগিত চেয়ে করা আপিলের শুনানি ১১ মার্চ ধার্য করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এই আদেশ দেন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট (আইএইচসি)। প্রধান বিচারপতি সরদার সরফরাজ ডোগার এবং বিচারপতি আজম খানের সমন্বয়ে গঠিত একটি ডিভিশন বেঞ্চ পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সালমান সফদার।

এই মামলায় ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বিচারক নাসির জাভেদ রানা ইমরান খানকে ১৪ বছর তার স্ত্রী বুশরাকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেন। এরপরই সাজা স্থগিত চেয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি আবেদন করা হয় পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা এবং তার স্ত্রীর পক্ষে থেকে।


শুনানিতে ইমরান খানের পক্ষে বিপুল সংখ্যাক আইনজীবী অংশ নিয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে যুক্তি উপস্থাপন করেন।

এসময় ব্যারিস্টার সফদার আদালতকে জানান—পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার চোখের সমস্যা রয়েছে এবং চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

বিচারপতির উদ্দেশে আইনজীবী বলেন, বারবার অনুরোধ সত্ত্বেও জামিন আবেদনগুলো এক বছর ধরে প্রক্রিয়াধীন ছিল এবং রেজিস্ট্রার অফিস তাদের প্রাথমিক শুনানির সময় নির্ধারণ করেনি।

আইনজীবী আরও বলেন, জামিন স্থগিতের আবেদনগুলো এক বছর ধরে বিচারাধীন ছিল, পাঁচটি বিবিধ আবেদন জরুরি শুনানির জন্য দাখিল করা হয়েছিল। এসময় তিনি আদালতকে আবেদনগুলো বিবেচনায় নিয়ে তারিখ নির্ধারণ করার অনুরোধ করেন। বিশেষ করে রমজান মাসেই বা এক সপ্তাহের মধ্যে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ডের মামলায় ইমরান ও বুশরা বিবির জামিন স্থগিতের আবেদন ১১ মার্চ শুনানির জন্য নির্ধারণ করে এবং দ্রুত বিবেচনার জন্য তাদের আবেদন মঞ্জুর করে।

আদালতের বাইরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে ব্যারিস্টার সফদার বলেন, আজকের শুনানি পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার মামলার সঙ্গে জড়িত কিন্তু তারা প্রয়োজনীয় পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি নথি পাননি। তিনি জেল সুপারিনটেনডেন্টের ‘অবহেলা এবং দায়িত্বহীনতা’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এদিকে, ইমরানের বোন আলেমা খান বলেন, শুনানির দীর্ঘ বিলম্ব ‘দুঃখজনক’ এবং উল্লেখ করেছেন যে তার ভাইয়ের চোখের গুরুতর সমস্যা রয়েছে।

উজমা খান রাজনৈতিক ব্যক্তিদের পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার স্বাস্থ্যের রাজনীতিকরণ না করার আহ্বান জানিয়েছেন এবং ডাক্তারদের তার চিকিৎসার অবস্থা সম্পর্কে একটি পাবলিক রিপোর্ট প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।

পিটিআইয়ের আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট খালিদ ইউসুফ চৌধুরীও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন, বলেছেন যে আজ সাত মাসের মধ্যে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা এবং বিবির মামলার প্রথম শুনানি।

এই আইনজীবী বলেন, তোশাখানা মামলার আপিল দুই মাস ধরে বিচারাধীন ছিল এবং এখন একটি নিয়মিত আপিল নম্বর বরাদ্দ করা হয়েছে।

    শেয়ার করুন: