চট্টগ্রাম
এলপিজির দামে দিশেহারা নিম্ন মধ্যবিত্তরা

আকস্মিক এলপিজির মূল্যবৃদ্ধিতে চট্টগ্রামে বেশি বিপাকে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো
১৮ দিনের ব্যবধানে দু’দফা এলপিজির দাম বাড়ায় চাপে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা। বর্তমানে ১২ কেজির একটি সিলিন্ডার কিনতে গুনতে হচ্ছে প্রায় ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেশি।
হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধিতে বেশি বিপাকে পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো। শহরের অধিকাংশ পরিবার রান্নার জন্য এলপিজির ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় দৈনন্দিন খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে তারা।
সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, সরকার নির্ধারিত ১ হাজার ৯৪০ টাকায় অনেক জায়গায় গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। বিক্রেতারাও নিচ্ছেন অতিরিক্ত ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত।
সর্বশেষ ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটারি কমিশন এলপিজির দাম নির্ধারণ করে ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। এর আগে গত ১ এপ্রিল প্রথম দফায় ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা। জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরপরই এই দ্বিতীয় দফা সমন্বয় আসে।
চট্টগ্রামের নগরের বিশ্বকলোনি এলাকার বাসিন্দা টেইলার্স দোকানি মো. রাকিব জানাচ্ছিলেন, এক মাসে গ্যাস খরচই বেড়েছে প্রায় ৬০০ টাকা। অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দিয়েও সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অন্যদিকে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে স্বীকার করছেন বিক্রেতারাও। তাদের দাবি, উচ্চ দামে কিনে বিক্রি করতে হচ্ছে পরিবহন খরচ যোগ করে। আবার তারা বেশি মজুদও রাখছেন না দাম ওঠানামার ঝুঁকির কারণে।
এই অবস্থায় এলপিজির দাম বৃদ্ধিতে বাজারে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা এবং চাপের মধ্যে রয়েছে ভোক্তা ও বিক্রেতা দু’পক্ষই।



