স্ত্রীর দাবি
পলাতক এমপি শিবলী সীমান্ত দিয়ে প্রেমিকাকেও নেন ভারতে!

স্ত্রীর সঙ্গে
দিনাজপুর-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শিবলী সাদিকের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ তুলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তার স্ত্রী খাদিজা মল্লিক শিমু। বর্তমানে তিনি দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মূলত শিবলীর বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ এনে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নেন। তার অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল ববি নামের এক তরুণীর সঙ্গে শিবলী জড়িয়ে পড়েন। পরে স্ত্রী শিমুর কাছে ধরা পড়লে সে যাত্রায় মাফ চেয়ে পার পান। তারপরও ওই তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। শুধু তাই নয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পটপরিবর্তনের পর সাবেক এমপি ভারতে পালিয়ে যান। আর সেখানেও তিনি অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে নিজের গাড়িচালকের মাধ্যমে ববিকেও নিয়ে গিয়েছিলেন।
বিষয়টি নিয়ে নিজের ফেসবুকে শিমু লিখেছেন, শিবলী সাদিক ববি ইসলামকে বিরামপুর মহিলা কলেজের পেছনে জায়গা কিনে বাড়ি করে দিয়েছে এবং এই মেয়েকে ঢাকা রেখে আইনে পড়িয়েছে। এই মেয়ের সঙ্গে দিনের পর দিন অবৈধ সম্পর্ক রেখেছে। এ মেয়ে সাবেক এমপির চালক দুলালের গাড়িতে করে রাজশাহী সীমান্ত দিয়ে ভারত পার হয়েছে, তার প্রমাণও আমার কাছে আছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন ধরে খাদিজা শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ। দাম্পত্য জীবনে টানাপড়েন চলছিল। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি নিয়মিত ঘুমের ওষুধ সেবন করতেন। তবে সোমবার রাতে অতিরিক্ত ওষুধ সেবনের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শিবলী সাদিক আওয়ামী লীগ মনোনীত দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। জুলাইয়ের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে। এরপর থেকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী খাদিজা মল্লিক সীমু হাকিমপুর উপজেলা শহরের সিপি রোড এলাকায় তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন।
২০১৯ সালের ৮ জুন খাদিজা মল্লিক সীমুর সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন শিবলী সাদিক। এর আগে ২০১১ সালে তার সঙ্গে কণ্ঠশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তবে পারিবারিক বিরোধের জেরে ২০১৬ সালে রাজধানীর ধানমণ্ডিতে উভয় পরিবারের উপস্থিতিতে সমঝোতার মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।



