আগামীর সময়

চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনে ৩৪ হাজার ফুয়েল কার্ড বিতরণ, প্রস্তুত আরও ১০ হাজার

চুয়াডাঙ্গায় তিন দিনে ৩৪ হাজার ফুয়েল কার্ড বিতরণ, প্রস্তুত আরও ১০ হাজার

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের সংকট নিরসনে ও কালোবাজারি রুখতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুরু হয়েছে বিশেষ ‘ফুয়েল কার্ড’ কার্যক্রম। গত তিন দিনে জেলায় ৩৪ হাজার মোটরসাইকেল ও যানবাহন চালকের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে এই কার্ড। এছাড়া চাহিদার কথা মাথায় রেখে আরও ১০ হাজার কার্ড প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।

ফুয়েল কার্ড কার্যক্রম চলমান থাকলেও জেলার পাম্পগুলোতে যানবাহন চালকদের লম্বা লাইন এখনও অব্যাহত। জ্বালানি তেল নিতে গিয়ে শেষ নেই গ্রাহকদের ভোগান্তির। জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ রুখতে ও সুষম বণ্টনের উদ্দেশ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে করা হয়েছে ফুয়েল কার্ডের ব্যবস্থা।

জ্বালানী তেলের তীব্র সংকটে একদল অসাধু চক্র ড্রাম ও গ্যালনে তেল অবৈধভাবে মজুদ করছিল, যার ফলে সাধারণ গ্রাহকরা পড়েন চরম ভোগান্তিতে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন ‘ফুয়েল কার্ড’ চালু করে এবং সেই সাথে চুয়াডাঙ্গার ২২টি পেট্রোল পাম্পেই ২২ জন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করে।

প্রশাসন জানায়, এখন থেকে চুয়াডাঙ্গার যে কোনো পাম্পে তেল নিতে হলে গ্রাহকদের দেখাতে হবে ‘ফুয়েল কার্ড’। কার্ডে লিখা থাকবে যানবাহনের তথ্য ও তেলের পরিমাণ। এর ফলে নির্দিষ্ট সীমার তেল নিতে পারবে না কেউ। ড্রাম ও গ্যালনে তেল বিক্রি বন্ধ।

প্রশাসনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সাধারণ চালকরা। ফুয়েল কার্ড হাতে তেল সংগ্রহ করতে আসা মোটরসাইকেল চালক ফারুক হোসেন বলেছেন, যে দিন থেকে শুনেছি আর তেল পাওয়া যাবে না সেদিন থেকেই পাম্পে দেখছি দীর্ঘ লাইন। আমার মোটরসাইকেলের তেলের জন্য আমিও লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। এখন হাতে ফুয়েল কার্ড পেয়েছি কিন্তু অনেককে দেখছি ফুয়েল কার্ড ছাড়াই নিতে এসেছেন তেল।

চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বি.এম তারিক উজ জামানের ভাষ্য, চুয়াডাঙ্গার চার উপজেলায় বিতরণ করা হয়েছে ৩৪ হাজার ফুয়েল কার্ড। যত আবেদন পত্র জমা পড়েছিল ইতোমধ্যে আমরা বিতরণ করেছি সব কার্ড। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ফুয়েল কার্ডের আবেদনের সময়সীমা শেষ হবে। এক দিনের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে ১০ হাজার ফুয়েল কার্ড। সব যানবাহন চালকরা নিজ নিজ উপজেলাতে আবেদনপত্র জমা দিয়ে ফুয়েল কার্ড সংগ্রহ করতে পারবে।

    শেয়ার করুন: