রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীতে নবরূপে পিঠাভোগ ও দক্ষিণডিহি এলাকা

রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালা
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনার ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্স ও রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। আয়োজন ঘিরে উৎসবের আমেজে সেজে উঠছে দুই এলাকা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল শুক্রবার বিকাল ৩টায় দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের।
বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার লবি, এস কে আজিজুল বারী ও আমীর এজাজ খান। এ ছাড়া উপস্থিত থাকবেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বিল্লাল হোসেন খান এবং পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। স্মারক বক্তৃতা দেবেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান।
শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুন। রবিবার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আলি আসগার লবি। প্রতিদিন বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলবে।
একই সময়ে রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালাতেও তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মিজ সিফাত মেহনাজ। শনিবারের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকবেন সংসদ সদস্য এস কে আজিজুল বারী হেলাল। রবিবার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। প্রতিদিন বিকাল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সেখানে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।
রূপসার পিঠাভোগ গ্রামের বাসিন্দা আল-মাহমুদ প্রিন্স উল্লেখ করেন, আয়োজন ঘিরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে এরই মধ্যে। গ্রাম জুড়ে চলছে রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা আবৃত্তি, নাট্য পরিবেশনা ও লোকজ মেলার প্রস্তুতি। সাজসজ্জা ও খাবারের পসরা নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছেন দোকানিরাও। অনুষ্ঠান শুরু হলে দর্শনার্থীদের পদচারণায় পুরো এলাকা মুখর হয়ে উঠবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
খুলনা স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগে পৃথকভাবে সম্পন্ন হয়েছে অনুষ্ঠান আয়োজনের সব প্রস্তুতি।



