কেসিসিতে তেল চুরি, তদন্তে দেড় মাস পর কমিটি

ফাইল ছবি
খুলনা সিটি করপোরেশনে (কেসিসি) জ্বালানি তেল চুরির ঘটনা দেড় মাস আগের। ফেসবুকে ও সংবাদমাধ্যমে তা প্রচারের পর শুরু হয় আলোচনা। তখনো বিষয়টি আমলে নেয়নি কর্তৃপক্ষ। তবে সোমবার হঠাৎ গঠন করা হয়েছে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি।
কমিটির আহ্বায়ক সংস্থার নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মুহাম্মদ আনিচুজ্জামান। সদস্যরা হলেন, কনজারভেন্সি অফিসার মো. আনিসুর রহমান ও উপ-সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) মো. সেলিমুল আজাদ।
অফিস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ব্যাকহো লোডার গাড়ি থেকে তেল চুরি করছিলেন এর চালক মো. বাবলু। এমন অভিযোগে কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বাবলুর ওপর নজর রাখছিলেন খালিশপুর ’বি’ অঞ্চলের সেকেন্ডারি ট্র্যান্সফার স্টেশনের (এসটিএস) সুপারভাইজার নুরুজ্জামান সুমন।
গত ১৯ মার্চ দুপুরে খালিশপুর নিউমার্কেট এসটিএসে গাড়ি থেকে তেল চুরির সময় হাতেনাতে আটক হন ওই গাড়িচালক। প্রশাসকের নির্দেশে ক্যানভর্তি জ্বালানি তেল জব্দ করা হয়। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে রাখা হয় চালক বাবলুকে। এর বাইরে আর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
ঘটনার এক মাস ১৪ দিন পর গঠিত কমিটিকে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে দিতে বলা হয়েছে প্রতিবেদন।
করপোরেশনের কিছু কর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত চালককে রক্ষার চেষ্টা করছেন এক কর্মকর্তা। এ কারণেই তদন্তে এত বিলম্ব।
এসব নাকচ করেছেন সিটি করপোরেশনের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা ও সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্বে) রহিমা সুলতানা বুশরা। ‘আগে একটি তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছিল। কিন্তু সেই কমিটির কেউ কেউ তদন্তে অনাগ্রহ প্রকাশ করে। এ কারণেই ফের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে’- যুক্তি দিলেন তিনি।



