দায়িত্ব পেয়েই কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসকের কঠোর বার্তা

মোস্তাক মিয়া
দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন কুমিল্লা জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসক মোস্তাক মিয়া। ‘তৃণমূল পযার্য়ের সকল দূর্নীতির মূলোৎপাটন করে গ্রামীণ অবকাঠামোর প্রকৃত উন্নয়নই লক্ষ্য’, দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু করেই এমনই বলছিলেন তিনি।
মোস্তাক মিয়াকে নিয়োগ দিয়ে গত রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় সরকার বিভাগ প্রজ্ঞাপন জারি করে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই এই নিয়োগ।
বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন মোস্তাক মিয়া। প্রশাসকের দায়িত্ব পাওয়ার মধ্য দিয়ে বিএনপির এই ত্যাগী নেতাকে মূল্যায়ন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; তাই খুশি কুমিল্লার সর্বস্তরের দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ।
আওয়ামী শাসনামলে মাঠের রাজনীতিতে অগ্রভাগে ছিলেন মোস্তাক মিয়া। নিজ সংসদীয় আসনের দলীয় সব কর্মসূচি পালন, দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, নিজ উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছেন। নিয়ন্ত্রণ করেছেন জেলা রেড ক্রিসেন্ট ও ডায়াবেটিক সোসাইটির সকল কার্যক্রম।
দাউদকান্দির এই কৃতী সন্তান কুমিল্লা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে থাকাকালীন জেলার প্রতিটা ইউনিটে দলের ভিত শক্তিশালী করেছেন। ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে পরে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির ১৯ দফা বাস্তবায়নে কাজ করেছেন।
দলীয় কর্মীরা মনে করছেন, রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ এবং দলের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা তাকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। মোস্তাক মিয়া জনপ্রত্যাশা পূরণে সফল হবেন এমন প্রত্যাশা তাদের।
‘প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দায়িত্ব সততা এবং নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব’, প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
‘অফিসে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, সর্বক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করে জনআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে আমি কাজ করে যাব’, যোগ করেন কুমিল্লার নবনিযুক্ত জেলা প্রশাসক।

