আসামির স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক, এএসআইকে পিটুনি

মারধরে আহত এসআই ইমরান। ছবি: আগামীর সময়
আসামির স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগে মারধরের শিকার হয়েছেন পুলিশের এক এএসআই। গভীর রাতে ওই নারীর ঘর থেকে তাকে আটক করে পিটুনি দেয় স্থানীয়রা। পরে তাকে তুলে দেওয়া হয় পুলিশের হাতে।
ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শুক্রবার রাত ৩টার দিকে ফরিদপুরের সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রদিয়া গ্রামে। অভিযুক্ত এএসআই মো. ইমরান হাসান (৪০)। তিনি সালথা থানায় কর্মরত। পাশাপাশি ওই ইউনিয়নের সহকারী বিট কর্মকর্তার দায়িত্বেও আছেন ইমরান।
সংশ্লিষ্ট ঘটনার ১ মিনিট ১৯ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। ভিডিওতে এএসআই ইমরান দাবি করেছেন, মাদক মামলার আসামি ধরতে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। তবে আসামির পরিবারের দাবি এটি প্রেম ঘটিত বিষয়।
সালথা ও পার্শ্ববর্তী বোয়ালমারী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে আসামি ও ওই নারীর স্বামী মো. মেহেদী হাসানের (২৮) নামে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মামলার সুবাদে আসামি মেহেদীর বাড়িতে ঘনঘন যাতায়াত ছিল এএসআই ইমরানের। এই সুবাদে মেহেদীর স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি হয় ইমরানের। ঘটনার রাতে মেহেদীর স্ত্রীর সঙ্গে একা দেখা করতে আসেন এএসআই। তখনই স্থানীয়দের পিটুনির শিকার হন।
পরে খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ইমরানকে। তাকে ভর্তি করানো হয় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
তবে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ধরতে ঘটনাস্থলে যাওয়ার দাবি করলেও সাদা পোশাকে রাত ৩টায় কেন একা গিয়েছিলেন তার কোনো ব্যাখা দিতে পারেননি ইমরান।
এ প্রসঙ্গে সালথা থানার ওসি মো. বাবলুর রহমান খান জানান, আসামি ধরতে গিয়ে মাদক ব্যবসায়ী মেহেদীর পরিবারের মারধরের শিকার হয়েছেন ইমরান। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তবে গভীর রাতে একা কেন মাদকের আসামি ধরতে গেলেন? এ প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে ওসি জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন।



