স্কুলছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় যুবককে কুপিয়ে জখম

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার বজ্রযোগিনী এলাকায় স্কুলছাত্রীদের উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় ফাহিম শেখ (২২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় দুটি মোটরসাইকেলে আগুন দিয়েছে ক্ষুব্ধ জনতা। আহত ফাহিমকে ভর্তি করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে।
সোমবার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কয়েক দফায় সংঘর্ষ হয় এই এলাকায়। ফাহিম শেখ বজ্রযোগিনী এলাকার দেলোয়ার শেখের ছেলে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সদর উপজেলার রামশিং এলাকা থেকে কয়েকজন যুবক বজ্রযোগিনী জয় কালী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এসে উত্ত্যক্ত করছিল স্কুলশিক্ষার্থীদের। এ সময় স্থানীয় যুবক ফাহিম শেখ প্রতিবাদ জানালে উভয় পক্ষের মধ্যে শুরু হয় কথাকাটাকাটি।
পরে বিকেল ৩টার দিকে রামশিং এলাকায় জড়ো হয় মুন্না ভূঁইয়া, আপন ভূঁইয়া ও তাদের সহযোগীরা। একপর্যায়ে তর্কবিতর্কের জেরে তারা ফাহিমকে সুইচগিয়ার দিয়ে কুপিয়ে জখম করে।
এ ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে হামলাকারীদের ধাওয়া দেয় স্থানীয়রা। এ সময় হামলাকারীরা মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা আগুন দেয় দুটি মোটরসাইকেলে।
বজ্রযোগিনী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন এমরান বলছেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে দফায় দফায় উত্তেজনা চলছিল। তৃতীয় দফায় বিচার সালিশের কথা বলে ডেকে এনে কুপিয়ে জখম করা হয় ফাহিমকে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢামেক হাসপতালে রয়েছেন তিনি।
আহতের বাবা দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে মামলা করেছেন মুন্সিগঞ্জ সদর থানায়।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম।
‘পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পুড়ে যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি কাউকে, তবে অভিযান চলছে।’



