আ.লীগকে সংগঠিত করতে সক্ষম নেতাকর্মীর জামিন হলে গ্রেপ্তারের নির্দেশ

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীদের কেউ জামিনে মুক্তির পর দলকে সংগঠিত করতে সক্ষম হলে তাদের অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশের রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি। তবে জামিন পেয়ে এ ধরনের কাজ না করলে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রয়োজন নেই বলেও জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরহাট জেলার পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ সুপারদের (ডিএসবি) চিঠি দিয়েছেন।
মঙ্গলবারের সই করা ‘বিশেষ নির্দেশনা’ শিরোনামের ওই চিঠিতে আরও বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত নিম্নোক্ত বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
ওই চিঠিতে বলা হয়— কার্যক্রম নিষিদ্ধ, স্থগিত ফ্যাসিস্ট সংগঠন বা সংগঠনগুলোর যেসব নেতা ও কর্মী জামিনে মুক্তির পর দলকে শক্তিশালী, সংগঠিতকরণ এবং মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা প্রদর্শন করতে সক্ষম তাদের জামিন হওয়ার পর অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখাতে হবে। আর যারা এ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী নয় তাদের জামিন হলে গ্রেপ্তার দেখানোর আপাতত প্রয়োজন নেই।
প্রটোকল ও প্রটেকশনের ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুসরণ করতে হবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে ডিআইজি মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, ‘নিষিদ্ধ বা কার্যক্রম স্থগিত সংগঠনের ক্ষেত্রে এ নোটিশ কার্যকর করা হবে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত যেকোনো সংগঠনের ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে।’
এর আগে গত বছরের ১০ মে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও তার নেতাদের বিচার কার্যসম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দলটির যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের সংশোধনী প্রস্তাবও অনুমোদন দেয়। সেই আইন অনুযায়ী— ট্রাইব্যুনাল কোনো রাজনৈতিক দল, তার অঙ্গসংগঠন বা সমর্থক গোষ্ঠীকে শাস্তি দিতে পারবে।



