আসিফ মাহমুদ
গণঅভ্যুত্থানে প্রথম আমাদের পাশে ছিল ইসলামী আন্দোলন

ছবিঃ আগামীর সময়
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যানার নিয়ে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল ইসলামী আন্দোলন। তাদের এ অবদান দেশ ও জাতির জন্য আমরা আজীবন স্মরণ করব বলে জানিয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
এখন আমি জীবিত অবস্থায় আপনাদের সামনে রয়েছি, সেটা ইসলামী আন্দোলনসহ সে সময়ে আমাদের পাশে যারা দাঁড়িয়েছে তাদের জন্য সম্ভব হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুরে বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই মাহফিলে অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
১০২ বছর ধরে চরমোনাইয়ে মাহফিলের মধ্য দিয়ে পীর সাহেব হুজুর ইসলামের প্রচার ও প্রসারে মানুষের আত্মশুদ্ধির জন্য অবদান রেখেছেন বলে মনে করেন এনসিপির এ মুখপাত্র।
আসিফ মাহমুদের ভাষ্য, আমি শুনেছি এই মাহফিলে যারা আসেন, তারা একভাবে আসেন, কিন্তু মাহফিল শেষে ফিরে যান ভিন্নরূপে। পীর সাহেব হুজুর চরমোনাই ও ইসলামী আন্দোলন এ দেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন রাজনীতিতে। মানুষের মুক্তি ও শান্তির জন্য পীর সাহেব হুজুর নিজে রক্ত ঝরিয়েছেন, আমরা দেখেছি।
বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির লড়াইয়ে রাজপথে ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে যে সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, আগামীতেও সেই সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে বলে জানান আসিফ মাহমুদ।
এর আগে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার নেতৃত্বে এনসিপির একটি প্রতিনিধিদল বৃহস্পতিবার সকালে চরমোনাই পীরের দরবারে পৌঁছায়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়তুল্লাহ জানান, ফজরের নামাজের পর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম মাহফিলে বয়ানে বসেন এবং বয়ান শেষে আসিফ মাহামুদ সজীব ভূঁইয়া ও এনসিপির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ঘরোয়া বৈঠকে অংশ নেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের যুগ্ম মহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব আশরাফুল আলম, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্যসচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, কেন্দ্রীয় সংগঠক ও ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ খান, কেন্দ্রীয় সদস্য হামজা মাহবুব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রিফাত রশীদ, ছাত্রনেতা আব্দুল কাদের, জাতীয় ছাত্রশক্তি নেতা যোবায়ের হোসেনসহ অন্যরা।

