রাজ বনবিহারে বুদ্ধপূর্ণিমায় শান্তি ও মৈত্রি প্রার্থনা

রাঙামাটির ঐতিহ্যবাহী রাজ বনবিহারে ভোর থেকে জড়ো হচ্ছিলেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা। আজ তাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব- বুদ্ধপূর্ণিমা। গৌতম বুদ্ধের চরণে প্রদীপ জ্বালিয়ে ও পুষ্প পূজার মধ্য দিয়ে তারা শুরু করেন দিনের আনুষ্ঠানিকতা।
একে একে সংঘদান, অষ্ট পরিষ্কার দান, বুদ্ধমূর্তি দান এবং পঞ্চশীল ও অষ্টশীল গ্রহণের মধ্য দিয়ে কামনা করেন নিজেদের আধ্যাত্মিক শুদ্ধি।
পুণ্যার্থীরা দেশ, জাতি এবং জগতের সব প্রাণীর মঙ্গল কামনায় অংশ নেন সমবেত প্রার্থনায়। তাদের প্রত্যাশা, গৌতম বুদ্ধের সাম্য ও মৈত্রীর বাণী অনুসরণে নিশ্চিত হবে সব সম্প্রদায়ের সম্প্রীতিময় সহাবস্থান।
প্রার্থনায় অংশ নিয়ে সুচরিতা চাকমা বললেন, ‘আমরা বুদ্ধের কাছে প্রার্থনা করছি যেন বিশ্বে কোনো অশান্তি না থাকে। মানুষে মানুষে হিংসা দূর হয়ে সবাই যেন মিলেমিশে শান্তিতে বসবাস করতে পারি।’
রাজ বনবিহারের অধ্যক্ষ ও ধর্মগুরু শ্রীমৎ প্রজ্ঞালংকার মহাস্থবির মত, ‘বুদ্ধের মূল দর্শন ছিল মৈত্রী ও করুণা। হিংসা পরিহার করে অহিংসার পথে চললেই শান্তি সম্ভব। আজকের এই পুণ্যময় দিনে আমাদের প্রার্থনা, জগৎ ও জীবনের সকল অকল্যাণ দূর হোক এবং মৈত্রীময় এক পৃথিবী গড়ে উঠুক।’



