বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৯ কোম্পানির মুনাফায় প্রবৃদ্ধি

সংগৃহীত ছবি
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ২৩টি কোম্পানির মধ্যে ২০টি কোম্পানি চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর–ডিসেম্বর ২৫) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, এ সময়ে ৯টি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। বিপরীতে আয় কমেছে ৮টির ও ৩টি কোম্পানি টানা লোকসান গুনছে।
আয় বৃদ্ধির তালিকায় থাকা কোম্পানিগুলো হলো— বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার, সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল, ডেসকো, ডরিন পাওয়ার, জিবিবি পাওয়ার, খুলনা পাওয়ার, পদ্মা অয়েল, শাহজীবাজার পাওয়ার ও ইউনাইটেড পাওয়ার।
কোম্পানিগুলোর মধ্যে বারাকা পতেঙ্গা পাওয়ার বড় ধরনের ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছে। গত বছর দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের ইপিএস মাত্র ১ পয়সা থাকলেও এবার তা বেড়ে ৭৭ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। বছরের প্রথম ছয় মাস (জুলাই–ডিসেম্বর ২৫) শেষে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৪৩ পয়সা, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১২ পয়সা লোকসান।
সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল ও ডেসকোর আয়েও লক্ষ্যণীয় প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের আয় ৮৮ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ২৩ পয়সায় উন্নীত হয়েছে। অন্যদিকে, ডেসকো গত বছরের ১৫ পয়সা লোকসান কাটিয়ে ছয় মাসে ২ টাকা ২৮ পয়সা আয় করতে সক্ষম হয়েছে।
জ্বালানি খাতের অন্যতম জায়ান্ট পদ্মা অয়েল তাদের আয়ের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। গত বছর দ্বিতীয় প্রান্তিকে তাদের ইপিএস ১২ টাকা ৭৩ পয়সা থাকলেও এবার তা বেড়ে ১৪ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। ছয় মাসে কোম্পানিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫৪ পয়সা।
শাহজীবাজার পাওয়ার ও ডরিন পাওয়ারের আর্থিক প্রবৃদ্ধিও বেশ আশাব্যঞ্জক। শাহজীবাজার পাওয়ারের ছয় মাসের ইপিএস ১ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ৩ টাকা ৪ পয়সা হয়েছে। অন্যদিকে, ডরিন পাওয়ারের ছয় মাসের আয় ২ টাকা ১ পয়সা থেকে বেড়ে ৩ টাকা ৫ পয়সায় উন্নীত হয়েছে।
এদিকে, ইউনাইটেড পাওয়ার দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৫ টাকা ৬ পয়সা আয় করলেও ছয় মাসের হিসেবে তাদের সার্বিক আয় গত বছরের তুলনায় কিছুটা কমে ১০ টাকায় হয়েছে। এছাড়া খুলনা পাওয়ার ও জিবিবি পাওয়ারও তাদের আয়ের সারণিতে ইতিবাচক ধারা বজায় রাখতে পেরেছে।

