শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যালয়ে সংস্কৃতিচর্চা হলে, দেশে থাকবে না উগ্রবাদ

সংগৃহীত ছবি
‘শিক্ষা কারিকুলামে সাংস্কৃতিক কার্যক্রম জোরদারের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ আলোকে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, মানবিক মূল্যবোধ ও নৈতিক চেতনা বিকাশে সহায়ক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে পাঠ্যক্রমে যোগ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ এমনটাই বলছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
রবিবার সকালে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যৌথ আলোচনা সভায় এসব জানান প্রতিমন্ত্রী। বিদ্যালয়ে সংস্কৃতিচর্চা নিশ্চিত হলে দেশে উগ্রবাদ স্থান পাবে বলেও মত দেন ববি হাজ্জাজ। সুস্থ্ ধারার জাতি গঠনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সংস্কৃতিচর্চার গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন তিনি। ‘সংগীত, নাটক, বিতর্ক, চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন সৃজনশীল কার্যক্রমে অংশ নেয়ার মাধ্যমে ইতিবাচক চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হয় শিক্ষার্থীরা। গড়ে ওঠে দলগত চেতনা, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধ। এতে তাদের মধ্যে উগ্র চিন্তা কমে যায়। ফলে সাংস্কৃতিক চর্চা শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং সুস্থ, সচেতন ও মানবিক প্রজন্ম গঠনের কার্যকর উপায়।’
সভায় ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। তার ভাষ্য, একটি সুস্থ, সৃজনশীল ও সচেতন প্রজন্ম গড়ে তুলতে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে সংস্কৃতিচর্চা আরও বিস্তৃত এবং বিকশিত করতে নেওয়া হচ্ছে সমন্বিত উদ্যোগ।
এছাড়াও ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।



