আগামীর সময়

‘দেবদাস’ সুপারহিট হলেও কাজ পাননি শ্রেয়া

‘দেবদাস’ সুপারহিট হলেও কাজ পাননি শ্রেয়া

শ্রেয়া ঘোষাল

​আজকের দিনে বলিউড সংগীত মানেই যেন শ্রেয়া ঘোষাল। যার মিষ্টি কণ্ঠে বুঁদ হয়ে থাকে পুরো দুনিয়া। কিন্তু জানলে অবাক হবেন, ক্যারিয়ারের শুরুতেই বড় ধামাকা দিয়েও দীর্ঘ সময় বেকার বসে থাকতে হয়েছিল এই মেলোডি কুইনকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের সেই সংগ্রামের দিনগুলোর কথা শেয়ার করেছেন তিনি।

২০০২ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘দেবদাস’ ছবিতে ‘বৈরি পিয়া’ বা ‘ডোলা রে ডোলা’ গেয়ে রাতারাতি তারকা বনে যান ১৮ বছরের কিশোরী শ্রেয়া। কিন্তু কপালে জোটে এক অদ্ভুত অভিজ্ঞতা। শ্রেয়া জানান, “দেবদাসের মতো বড় প্রোজেক্টে শাহরুখ মাধুরীর সিনেমায় গান গেয়েও পরবর্তী গানটি পেতে আমাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। অনেকদিন আমি কোনো নতুন কাজ পাচ্ছিলাম না।”

শ্রেয়ার মতে, তিনি কাজের জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ধরনাা দিতে পছন্দ করতেন না। তিনি বিশ্বাস করতেন, যার কণ্ঠে যে গান মানায়, কাজ তার কাছেই আসবে। আর সেই ধৈর্যই তাকে পরবর্তীতে বলিউডের সিংহাসনে বসিয়েছে।

দেবদাসের পর শ্রেয়ার ক্যারিয়ারের অন্যতম টার্নিং পয়েন্ট ছিল ‘জিসম’ সিনেমার ‘জাদু হ্যায় নাশা হ্যায়’। তবে এই গানটি নিয়ে খোদ শ্রেয়ার মনেই ছিল দ্বিধা। তিনি ভেবেছিলেন, গ্ল্যামারাস বিপাশা বসুর জন্য তার কণ্ঠ বড্ড বেশি কাঁচা। কিন্তু অস্কারজয়ী সুরকার এম এম কিরাভানি ছিলেন নাছোড়বান্দা। তার জেদেই তৈরি হয় সেই ইতিহাস গড়া গান। শ্রেয়ার ভাষায়, “আমি তখন মাত্র ১৮। চেষ্টা করে আবেদনময়ী হতে চাইনি, বরং নিজের কণ্ঠের সরলতাটাই ঢেলে দিয়েছিলাম।”

​এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। ‘জিসম’ থেকে শুরু করে আজকের ‘পুষ্পা ২’ এর গান সবখানেই শ্রেয়া ম্যাজিক অব্যাহত। পাঁচটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী এই শিল্পী আবারও প্রমাণ করলেন, সঠিক সুযোগের জন্য অপেক্ষা করার ধৈর্য থাকলে সফলতা একদিন ধরা দেবেই।


সুত্রঃ হিন্দুস্তান টাইমস 

    শেয়ার করুন: