ফের মা হচ্ছেন দীপিকা, ছবি কি হাত থেকে ছুটে যাবে?

দীপিকা পাড়ুকোন (ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে নেয়া)
বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন নিজের দ্বিতীয় সন্তান আসছে জানিয়ে সম্প্রতি ভক্তদের আনন্দে ভাসিয়েছেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে অভিনেতা রণবীর সিং ও তার সংসারে আসে প্রথম কন্যাসন্তান দুয়া। এবার আরও বড় হচ্ছে তাদের পরিবার। এমন সুখবরের মধ্যেই দীপিকার ক্যারিয়ার নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে বি-টাউনে। অনেকের ধারণা, ‘রাকা’সহ হাতে থাকা চলচ্চিত্রগুলো হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে তার।
আবার এমনও শোনা যাচ্ছে, ছবিগুলোতে দীপিকা শুধু স্বল্প উপস্থিতির চরিত্রে পর্দায় আসবেন। তবে এই গুঞ্জন ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াকে ‘রাকা’র পরিচালক অ্যাটলি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘দীপিকা এই ছবিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন। নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আমাদের কাজ এগোচ্ছে। শুটিং চলছে দারুণ গতিতে ও ইতিবাচক পরিবেশে। গর্ভাবস্থার মধ্যেও কাজ থামানোর কোনো ইচ্ছা প্রকাশ করেননি দীপিকা।’
জানা গেছে, আল্লু অর্জুন অভিনীত ‘রাকা’য় বেশ কিছু অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যাবে দীপিকাকে। তিনি প্রয়োজনীয় সতর্কতা মেনে এসব দৃশ্যের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন।
দীপিকার হাতে আরও আছে সিদ্ধার্থ আনন্দ পারিচালিত ‘কিং’। এতে বলিউড তারকা শাহরুখ খানের সঙ্গে তার রসায়ন দেখা যাবে ফের। ছবিটির শুটিং শেষ হয়েছে এরই মধ্যে। সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনী চুক্তির কাজও সম্পন্ন করেছেন তিনি।
শুটিংয়ে আট ঘণ্টার বেশি সময় না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় ‘কাল্কি ২৮৯৮ এডি’র সিক্যুয়েল এবং সন্দীপ রেড্ডি বাঙ্গার ‘স্পিরিট’ থেকে বাদ পড়েন দীপিকা। আট ঘণ্টার শিফট নিয়ে নির্মাতাদের সঙ্গে তার মতবিরোধের জেরে পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য করেন অনেকে।
দীপিকা বরাবরই মানসিক স্বাস্থ্য ও কর্মজীবনে ভারসাম্য রাখার গুরুত্ব নিয়ে সরব। তার এই অবস্থানকে সমর্থন করেছেন অনেক সহকর্মী। সম্প্রতি দীপিকার পক্ষে কথা বলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত, ‘ক্যারিয়ারে শুরুর দিকে যেকোনো অভিনেত্রীর অবস্থান আলাদা থাকে। কিন্তু দীপিকা এমন একটি জায়গা অর্জন করেছেন, যেখানে নির্মাতাদেরই তার সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া উচিত। কারণ এখন তাকে মা হিসেবেও দায়িত্ব সামলাতে হয়।’
কঙ্গনা যোগ করেন, ‘একদিকে পেশা, অন্যদিকে পরিবার; নারীদের কাছ থেকে ইদানীং দ্বিগুণ দায়িত্ব আশা করে সমাজ। এটি তাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। জন্মহার কমে যাওয়া কিংবা সম্পর্কে ভাঙনের পেছনে এই বাস্তবতা রয়েছে। তাই নারীদের সেই প্রয়োজনীয় জায়গা ও সময় দেওয়া জরুরি।’





