আসলেই কি সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন বাপ্পারাজ?

কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। বিশেষ করে চিত্রনায়ক জায়েদ খান ও চিত্রনায়িকা নিপুণের লড়াইকে কেন্দ্র করে সরগরম ছিল এফডিসি। তবে সময়ের সঙ্গে সেই নির্বাচন অনেকটাই ফিকে হয়ে গেছে। জায়েদ খান গতবারের নির্বাচনে অংশ নেননি। এরপর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। নিপুণও এখন অনেকটাই অন্তরালে।
এর আগে শাকিব খানের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে কম আলোচনা হয়নি। তবে এখন আর সেই উত্তাপ নেই। সর্বশেষ নির্বাচন নিয়েও তেমন আলোচনা দেখা যায়নি। তবে এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অভিনেতা বাপ্পারাজ সভাপতি পদে লড়বেন, এমন খবর ছড়িয়ে পড়তেই ফের আলোচনায় এসেছে চলচ্চিত্রশিল্পীদের এই সংগঠনটি।
শোনা যাচ্ছে, আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ সভাপতি পদে এবং একই প্যানেল থেকে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হবেন চিত্রনায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তি। একাধিক গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হলেও বাপ্পারাজ আগামীর সময়কে বিষয়টি নিশ্চিত করেননি।
আসলেই কি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে জনপ্রিয় এই অভিনেতা জানিয়েছেন, “আমি এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি। আমাকে সভাপতি পদে নির্বাচন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ভাবছি।”
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। এছাড়া অতীতে এই কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছিলেন আরেক কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা বেগম। বাপ্পারাজ যদি সত্যিই নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে তিনি বাবা-মায়ের দেখানো পথেই হাঁটবেন।
গত ২৪ এপ্রিল শেষ হয়েছে মিশা সওদাগর ও মনোয়ার হোসেন ডিপজলের কার্যনির্বাহী পরিষদের ২০২৪-২৬ মেয়াদ। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাসের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অর্থাৎ ২০২৬-২৮ মেয়াদের নির্বাচন শিগগিরই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বাপ্পারাজ ও মুক্তির প্যানেলের পাশাপাশি আরও একটি প্যানেল হওয়ার গুঞ্জনও শোনা যাচ্ছে। শিগগিরই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।




