মৃত্যুর ৭ বছর পর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাচ্ছেন আইয়ুব বাচ্চু

সংগৃহীত ছবি
বাংলা ব্যান্ড সংগীতের তুমুল জনপ্রিয় গায়ক ও গিটারিস্ট আইয়ুব বাচ্চু একুশে পদক ২০২৬-এর জন্য মনোনীত হয়েছেন। মৃত্যুর সাত বছর পর রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছেন তিনি।
২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মারা যান আইয়ুব বাচ্চু। জীবদ্দশায় টানা কয়েকদশক ধরে সঙ্গীতাঙ্গনে প্রভাব রেখে গেছেন। আজও তার গান মাতিয়ে রাখে দর্শককে। হৃদয়কে করে তোলে তোলপাড়। দীর্ঘ ৪০ বছরের ক্যারিয়ারে ১২টি ব্যান্ড, ১৬টি একক ও বহু মিশ্র অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছিল তার। আইয়ুব বাচ্চুর অসাধারণ গানের কথার সঙ্গে শ্রুতিমধুর সুর, সংগীতায়োজন দর্শককে মুহূর্তের মধ্যেই মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখত।
চট্টগ্রামের এই কৃতী সন্তান ১৯৬২ সালের ১৬ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। গানকে ভালোবেসে সংগীতজীবন শুরু করেন ১৯৭৭ সালে। তার এক বছর পরেই ব্যান্ড জগতে পা রাখেন।
১৯৮০ সালে আইয়ুব বাচ্চু যোগ দেন সোলস ব্যান্ডে। ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি দলটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরের বছর অর্থাৎ ১৯৯১ সালে তিনি ‘লাভ রানস ব্লাইন্ড (এলআরবি) ব্যান্ডদল গঠন করেন। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এই দলটির সঙ্গেই যুক্ত ছিলেন। তার প্রথম গাওয়া গান ‘হারানো বিকেলের গল্প’। আর প্রথম একক অ্যালবাম ‘রক্তগোলাপ’। তবে গানের জগতে সফলতা পান তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ‘ময়না’-এর মাধ্যমে।
অসংখ্য দর্শকপ্রিয় গানের মধ্যে তার কয়েকটি গান হলো ফেরারি মন, হাসতে দেখো, কষ্ট পেতে ভালোবাসি, চলো বদলে যাই, সুখেরই পৃথিবী ইত্যাদি। তার গানগুলোয় সুখ, দুঃখ বেদনা, প্রেম, ভালোবাসা ও কষ্টের সব অনুভূতিই আলাদা মাত্রা পেতো।

