মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি ইরানের

বিমানের ধ্বংসাবশেষ। ছবি : প্রেস টিভি
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) একটি মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছে। পরবর্তীতে বাহিনীটি প্রমাণ হিসেবে যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের একাধিক ছবি প্রকাশ করে।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম প্রেস টিভি এ তথ্য জানায়।
প্রতিবেদনে যুক্ত করা হয় ধ্বংস হওয়া যুদ্ধবিমানের একাধিক ছবি।
ইরানি ওই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, এটি একটি এফ-৩৫ ফাইটার জেটের ধ্বংসাবশেষ।
যদিও গ্রিফিথ এশিয়া ইনস্টিটিউটের ফেলো এবং রয়্যাল অস্ট্রেলিয়ান এয়ার ফোর্সের সাবেক কর্মকর্তা পিটার লেটন আমেরিকান সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে ধ্বংসাবশেষের ছবিগুলো বিশ্লেষণ করে বলেছেন, এটি মার্কিন বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৫ জেট হতে পারে।
ছবিগুলোতে একটি বিমানের ছোট ছোট অংশ দেখানো হয়েছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড়টি প্রায় একজন মানুষের সমান লম্বা।
পিটার লেটনের ভাষ্য, অন্য আরেকটি ছবিতে ‘ইউএস এয়ার ফোর্সেস ইন ইউরোপ’-এর একটি আংশিক লোগো এবং পাখার ওপর থেকে নেমে আসা লাল-সাদা ডোরাকাটা দাগ দেখা যাচ্ছে। যা এফ-১৫ বিমানের পেছনের অংশের সাথে মিলে যায় বলে মনে হচ্ছে।
আইআরজিসি বিবৃতিতে অবশ্য দাবি করেছে, ইরানে মধ্যাঞ্চলে একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে তাদের বাহিনী।
ইরানের প্রেস টিভির দাবি, বিমানটি সম্পূর্ণভাবে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ায় পাইলটের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা এখনও অজানা।
এর আগে আইআরজিসি দাবি করেছিল, কেশম ও হেঙ্গাম দ্বীপের মধ্যবর্তী হরমুজ প্রণালীর উপর একটি শত্রু যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। সেই ঘটনায় নিজেদের দাবির সমর্থনে ধ্বংসাবশেষের কোনো ছবি প্রকাশ করা হয়নি।
ওই প্রথম দাবির পর সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে একটি ফ্যাক্ট চেক পোস্টে দাবি করে, কেশম দ্বীপের ওপর কোনো মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়নি এবং ইরানের বাহিনী নিয়মিতভাবে মিথ্যা দাবি করে থাকে।
মধ্য ইরানের আকাশে রেভল্যুশনারি গার্ডসের সর্বশেষ বিমান ভূপাতিত করার দাবির বিষয়ে সেন্টকম এখনো কোনো ‘ফ্যাক্ট চেক’ পোস্ট প্রকাশ করেনি।

