আগামীর সময়

জুবাইদা রহমান

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সঠিক ব্যবহার শিক্ষায় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে

সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সঠিক ব্যবহার শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো দেশে, যেখানে প্রশিক্ষিত শিক্ষকের প্রাপ্যতা এখনো সমান নয়।

বুধবার (২৫ মার্চ) শিশুদের শিক্ষায় নিরাপদ প্রযুক্তি ও বিকাশের লক্ষ্যে গড়ে ওঠা বৈশ্বিক জোট ‘ফস্টারিং দ্য ফিউচার টুগেদার’-এ যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। দুদিনব্যাপী এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পররাষ্ট্র দপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

‘বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রযুক্তি ও স্বাস্থ্যসেবা শিশুদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সরকার কাজ করছে। আমাদের সরকার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল যুগে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করছে। শিক্ষকদের ট্যাব ও কম্পিউটার দেওয়া হচ্ছে, পাঠ্যসামগ্রী হালনাগাদ করা হচ্ছে, ডিজিটাল কারিকুলাম চালু করা হচ্ছে এবং নতুন উদ্ভাবনী পদ্ধতি প্রবর্তন করা হচ্ছে। শ্রেণিকক্ষগুলোতে মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট যুক্ত করা হচ্ছে, যা দলগত কাজ, সৃজনশীলতা এবং নৈতিক বিকাশকে উৎসাহিত করছে’— বলেন জুবাইদা রহমান।

তার ভাষ্য, শিক্ষাগত প্রযুক্তি শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। একই সঙ্গে আমরা নিশ্চিত করছি, এসব প্রযুক্তির ব্যবহার যেন নিরাপদ ও নৈতিক হয়, যাতে শিশুরা একটি সুরক্ষিত ও সহায়ক পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে।

চিকিৎসক হিসেবে প্রতিটি শিশুর জন্য সহজলভ্য ও মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে জুবাইদা রহমান বলেছেন, শুধু চিকিৎসা নয়, জীবনের শুরু থেকেই শিশুর মৌলিক চাহিদার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে আমার কাজ আমাকে শিক্ষা, চিকিৎসা যুব উন্নয়নের সার্বিক কল্যাণে আরও নিবেদিত করেছে।

বর্তমান সরকারের কার্যক্রমের প্রশংসা করে জুবাইদা রহমান উল্লেখ করেন, আমাদের সরকার ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’-এর মতো উদ্যোগ চালু করেছে, যা আর্থিক সহায়তা দিয়ে পরিবারকে শক্তিশালী করছে এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য একটি নিরাপদ ও স্নেহময় পরিবেশে শিশুদের বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করছে।

‘নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য রয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মানবাধিকার উন্নয়নে কাজ করেছেন এবং মেয়েদের জন্য দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা চালু করেছেন। আমাদের সরকার এখন নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ’— যোগ করেন জুবাইদা রহমান।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান গার্মেন্টসশিল্পের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন, যা লাখ লাখ নারীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। এটি প্রমাণ করে, যখন নারীরা ক্ষমতায়িত হন, তখন পরিবার শক্তিশালী হয় এবং শিশুরা সমৃদ্ধ হয়।

    শেয়ার করুন: