অন্তর্বর্তী সরকারের সার নীতিমালা বাতিল চায় ব্যবসায়ীরা

ছবি: আগামীর সময়
সারবিষয়ক অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিমালা বাতিল না করলে দেশ অচলের হুমকি দিয়েছেন সার ডিলার ও ব্যবসায়ীরা। আগামী সাত দিনের সময় দিয়েছেন তারা। এর মধ্যে নতুন নীতিমালা না দিলে সারা দেশে কৃষকদের কাছে সার বিক্রয় এবং সরবরাহ বন্ধ করে পালন করা হবে অবরোধ কর্মসূচি। সামনে আমন মৌসুমে কৃষিতে এর জন্য কোনো ক্ষতি হলে তার দায়দায়িত্ব সরকারকে বহন করতে হবে।
সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন থেকে এ ঘোষণা দেন সার ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. অলিউর রহমান।
আজ বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ-সংক্রান্ত সমম্বিত নীতিমালা ২০২৫ বাতিলের দাবিতে অনুষ্ঠিত হয় মানববন্ধন।
অংশগ্রহণ করেন সার ডিলারদের সংগঠন বিএফএ ও সারা দেশ থেকে আসা কয়েক হাজার সার ডিলার ও খুচরা সার বিক্রেতা।
সার ব্যাবসায়ীদের মতে, ২০২৫-এ সারবিষয়ক এ নীতিমালা তাড়াহুড়ো করে প্রণয়ন করা হয় অন্তর্বর্তী সরকারের অনুগত গোষ্ঠীকে সুবিধার জন্য। তখন নেওয়া হয়নি কোনো ব্যবসায়ীদের মতামত। যদি জনস্বার্থবিরোধী এ নীতিমালা বাস্তবায়ন হয়, দেশের ৪৬ হাজার খুচরা সার বিক্রেতা হয়ে যাবে বেকার। মাঠপর্যায়ে তাদের সারে বিনিয়োগ লাখ টাকা অনাদায়ী থাকবে।
সামনে সম্ভাবনা রয়েছে আমন মৌসুমে কৃত্রিম সার সংকট তৈরি হওয়ার। সরকার যদি এ নীতিমালায় নজর না দেয়, তবে কৃষি সেক্টরে যে বিরাট বিশৃঙ্খলা বিরাজ করবে তার দায় নিতে হবে সরকারকে।
সম্প্রতি এ পরিস্থিতি বিবেচনায় কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদের নির্দেশে সার নীতিমালা নিয়ে গঠন করা হয় একটি কমিটি। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সেলিম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের এ কমিটিতে সিদ্ধান্ত হয় সরকারের করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করার। এ বিষয়ে সেলিম খান বলেছেন, মানবিক দৃষ্টিতে দেখা হচ্ছে খুচরা সার বিক্রেতাদের বিষয়টি। সরকার সব অংশীদারকে স্বার্থরক্ষা বিষয়ে চিন্তাভাবনা করেই নেবে সিদ্ধান্ত।



