কনটেন্ট ক্রিয়েটর হাসান নাসিম কারাগারে

ছবি: আগামীর সময়
কনটেন্ট ক্রিয়েটর এ এম হাসান নাসিমের রিমান্ড নামঞ্জুর কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। জাতীয় সংসদের চিফ হুইপকে নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগে গুলশান থানায় করা হয়েছিল মামলা। সেই মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় তাকে।
শুনানি শেষে আজ শনিবার এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস।
এদিন আদালতে হাজির করা হয় আসামি নাসিমকে। মামলা তদন্তের স্বার্থে ঘটনায় জড়িত অন্য অজ্ঞাত আসামিদের তথ্য ও গ্রেপ্তার, আলামত উদ্ধার, ঘটনার নেপথ্যে কারা কারা ইন্ধন জুগিয়েছে তাদের নাম-ঠিকানাসহ গ্রেপ্তার, মামলার মূল রহস্য উদঘাটনের জন্য সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উপপরিদর্শক মো. রায়হানুর রহমান।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী জহিরুল ইসলাম আবেদন করেন রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করেন এবং আদেশ দেন কারাগারে পাঠানোর। একই সঙ্গে জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ঠিক করেন আগামীকাল রবিবার।
এর আগে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার ভাড়া বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় নাসিমকে।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ১১ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে গুলশানে নিজ বাসায় বাদী মো. নজরুল ইসলাম দেখতে পান, বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনিকে ব্ল্যাকমেইল করার উদ্দেশ্যে 'সাগর থেকে ৩টা তিমি মাছ নিয়ে এসেছি, ২টা হাঙর আসতেছে ইনশাআল্লাহ, সবার দাওয়াত : চিফ হুইপ'- এই ক্যাপশনে ফেসবুকে পোস্ট করেন।
পরে ওই ফেসবুক আইডি থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করতে থাকেন। অজানা আসামির হোয়াটসঅ্যাপ থেকে চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে বিভিন্ন স্ক্রিনশট পাঠিয়ে ব্ল্যাকমেইল করতে থাকেন। এ ঘটনায় চিফ হুইপের একনিষ্ঠ কর্মী মো. নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে গুলশান থানায় সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশে মামলা করেন।



