ঢাবি শিক্ষার্থী মিমোর আত্মহত্যা
শিক্ষক সুদীপের তিন দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ

সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর তিন দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ। গত বুধবার এ আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন। এ বিষয়ে আগামী রবিবার আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন।
ঢাবির থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ছাত্রী মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় শিক্ষক সুদীপকে গ্রেপ্তারের পর গত ২৭ এপ্রিল আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান এসআই ইকবাল।
তার আবেদনে বলা হয়, এজাহারনামীয় আসামি হিসেবে ২৬ এপ্রিল হেফাজতে নেওয়া হয় সুদীপকে। প্রাথমিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে মিলেছে ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তদন্ত কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে আটক রাখা প্রয়োজন।
আদালতে আসামির জামিন চেয়ে শুনানি করেন তার আইনজীবী ফুল মোহাম্মদ। অন্যদিকে তার বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে সুদীপকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে ২৬ এপ্রিল রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় নিজ বাসায় মিমোর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় পাওয়া যায় একটি চিরকুট। সেখানে লেখা ছিল, ‘সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।’
পরে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সুদীপের বিরুদ্ধে করা হয় মামলা।




